কলকাতার একটা কর্পোরেট অফিসের কনফারেন্স রুমে, যেখানে প্রজেক্টরের আলো আর টেবিলের উপর ছড়ানো ফাইল মিলে একটা প্রফেশনাল কিন্তু টেনশনপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে কাজ করতো সোনালী। সোনালী ছিল একটা প্রজেক্ট ম্যানেজার, বয়স ২৯। তার শরীরটা ছিল কার্ভি এবং লোভনীয় – বড় বড় দুধ যা তার ফর্মাল শার্টের বোতাম ফাটিয়ে বের হতে চাইতো, গভীর নাবিল যা তার সাড়ির নিচে থেকে উঁকি মারতো, আর সেই বোদা যা মিটিংয়ের সময় গরম হয়ে উঠতো। সোনালীর চুল ছিল সিল্কি, চোখ দুটো বাদামি, আর তার হাসি ছিল দুষ্টু। অফিসে কাজ করতে করতে তার স্ট্রেসে তার দুধ শক্ত হয়ে যেত। বাড়িতে সে নিজের নাবিলে ক্রিম মাখিয়ে ম্যাসাজ করতো, তারপর বোদায় পাঁচটা আঙুল ঢোকাতো, কল্পনা করতো একটা মোটা ধনের যা তার বোদা ভরে দিতো, আর তার মাল তার মুখে ছেড়ে দিতো। তার বোদা থেকে রস ছিটকে পড়তো, কিন্তু তার আকাঙ্ক্ষা মেটাতো না।
রাহুল ছিল তার বস, বয়স ৩৫। তার শরীরটা ছিল স্ট্রং – মজবুত হাত, প্রশস্ত কাঁধ, আর তার ধনটা ছিল ১০ ইঞ্চি লম্বা, মোটা এবং সোজা, যা তার প্যান্টের নিচে ফুলে থাকতো। রাহুল সোনালীকে মিটিংয়ে দেখতো, তার দুধের দিকে চোখ যেত। একদিন লেট নাইট মিটিংয়ে অফিস খালি হয়ে গেল। সোনালী কনফারেন্স রুমে একা। রাহুল এলো, "সোনালী, প্রজেক্ট ডিসকাস করি।" সোনালী হাসলো, তার শার্টের বোতাম খুলে গিয়েছিল। "হ্যাঁ স্যার, কিন্তু দরজা লক করো।"
কনফারেন্স রুমে তারা একা। রাহুল সোনালীর কাছে এলো, তার কোমর ধরলো। সোনালী তার ঠোঁট চুমু খেলো, জিভ মিলিয়ে দিলো। রাহুল তার শার্ট খুলে দিলো, সোনালীর ব্রা দেখে দুধ মর্দন করলো। "আহ রাহুল, জোরে চাপো আমার দুধ, বোঁটা টেনে ধরো।" রাহুল ব্রা খুলে দিলো, বোঁটা কামড়ালো। সোনালী কাঁপতে লাগলো। সোনালী রাহুলের প্যান্ট খুললো, ধন বের হলো – মোটা, সোজা, লাল ডগা। "ওহ, এতো মোটা ধন! আমার বোদা ভরে দেবে।" সোনালী ধনটা মুখে নিলো, চুষতে লাগলো। রাহুল আহ করে উঠলো, "সোনালী, চোষো গভীরে, বলস চাটো।" সোনালী বলস চাটলো, ধনের ডগা চুষলো।
রাহুল সোনালীর সাড়ি খুলে দিলো, নাবিল চুমু খেলো। "আহ, নাবিলে আঙুল ঢোকা, ঘুরাও।" রাহুল তাই করলো। তারপর সোনালীর প্যান্টি নামালো, বোদা দেখে জিভ ঢোকালো। সোনালী চেঁচালো, "চাটো আমার বোদা, ক্লিট চোষো, আঙুল ঢোকা ছয়টা!" রাহুল ছয়টা আঙুল ঢোকালো, সোনালীর রস বের হয়ে গেল। তারা ৬৯ পজিশনে টেবিলে হলো – সোনালী উপরে, রাহুলের ধন চুষছে, রাহুল সোনালীর বোদা চাটছে। ঘন্টা পাঁচেক ধরে তারা খেললো – সোনালীর দুধ চোষা, নাবিল কামড়ানো, বোদায় জিভ আর আঙুল, রাহুলের ধন চোষা, বলস ম্যাসাজ। সোনালী রাহুলের ধনের উপর কফি মাখিয়ে ঘষলো, রাহুল সোনালীর নিতম্বে স্প্যাঙ্ক করলো।
রাহুল সোনালীকে টেবিলে শুইয়ে দিলো। সে তার ধন সোনালীর বোদায় ঢোকালো। সোনালী চেঁচিয়ে উঠলো, "জোরে ঠাপ দাও, আমার বোদা ফাটাও, মাল দাও ভিতরে।" রাহুল জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, সোনালীর দুধ দুলতে লাগলো। সে সোনালীর দুধ চাপতে চাপতে ঠাপ দিলো। সোনালী তার নখ দিয়ে রাহুলের পিঠ আঁচড়ালো, "আরও জোরে, গভীরে যাও।" তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – সোনালী উপরে, রাহুলের উপর লাফাতে লাগলো। তার নাবিলে রাহুল আঙুল দিলো। তারা ডগি স্টাইলে হলো, রাহুল পিছন থেকে ঠাপ দিলো, সোনালীর নিতম্ব চাপড়ালো। ঘন্টা আটেক ধরে তারা চোদাচুদি করলো, অফিসের বিভিন্ন জায়গায় – চেয়ারে, ফ্লোরে, প্রজেক্টরের সামনে। রাহুল সোনালীর মুখে তার মাল ছেড়ে দিলো। কিন্তু তারা আবার শুরু করলো। পরের মিটিংগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো। সোনালী রাহুলের ধন চুষে মাল বের করতো, রাহুল সোনালীর বোদা চেটে রস বের করতো। তাদের মিটিং ছিল কামের। কিন্তু সোনালী প্রমোশন পেয়ে অন্য ব্রাঞ্চে চলে গেল। রাহুল একা রইলো, স্মৃতি রইলো কনফারেন্স রুমে। সোনালী নতুন অফিসে নিজের শরীর স্পর্শ করতো, রাহুলের ধন ভেবে মাল বের করতো। এমনি গল্প চলতে থাকলো।
No comments:
Post a Comment