হিল স্টেশনের কটেজে রিয়া ও অর্ণবের আবেগের আগুন

ডার্জিলিংয়ের একটা হিল স্টেশনের কটেজে, যেখানে পাহাড়ের ঠান্ডা হাওয়া আর কুয়াশা মিলে একটা রোমান্টিক কিন্তু উত্তেজক পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে হানিমুনে এসেছিল রিয়া। রিয়া ছিল নতুন বৌ, বয়স ২৩। তার শরীরটা ছিল যেন একটা কামের দেবী – বিশাল দুধ যা তার নাইটির নিচে থেকে উঁচু হয়ে থাকতো, গভীর নাবিল যা তার সিল্কি গাউনের নিচে থেকে দেখা যেত, আর সেই বোদা যা ঠান্ডায় আরও গরম হয়ে উঠতো। রিয়ার চুল ছিল লম্বা সোজা, চোখ দুটো মায়াবী, আর তার ঠোঁট ছিল লাল যেন চুমু খাওয়ার জন্য তৈরি। কটেজে একা শুয়ে তার ঘামে ভিজে যাওয়া শরীর দেখলে পুরুষদের ধন শক্ত হয়ে যেত। রিয়া বাড়িতে একা শুয়ে তার দুধ মর্দন করতো, বোঁটা টেনে আহ করে উঠতো, তারপর নাবিলে আঙুল ঘুরিয়ে, অবশেষে বোদায় ছয়টা আঙুল ঢোকাতো। সে কল্পনা করতো একটা লম্বা ধনের যা তার বোদা চিরে দিতো, আর তার মাল তার ভিতরে ফোয়ারা হয়ে ছেড়ে দিতো। তার বোদা থেকে রস ছিটকে পড়তো, কিন্তু তার আকাঙ্ক্ষা মেটাতো না।

অর্ণব ছিল তার স্বামী, বয়স ২৭। তার শরীরটা ছিল মজবুত – শক্ত বাহু, প্রশস্ত কাঁধ, আর তার ধনটা ছিল ১০ ইঞ্চি লম্বা, মোটা এবং বাঁকা, যা তার প্যান্টের নিচে ফুলে থাকতো। অর্ণব রিয়াকে দেখলো যখন সে কটেজের জানালায় দাঁড়িয়ে পাহাড় দেখছিল। রিয়ার গাউন ভিজে গিয়ে তার দুধের বোঁটা ফুটে উঠেছিল। অর্ণব কাছে এলো, "রিয়া, ঠান্ডা লাগছে?" রিয়া হাসলো, তার দুধ দুলে উঠলো। "হ্যাঁ, কিন্তু তোমার গরম চাই।"

রাত হলো, কটেজ অন্ধকার। তারা বিছানায় গেল। রিয়া অর্ণবের ঠোঁটে চুমু খেলো, জিভ ঢোকালো। অর্ণব তার গাউন খুলে দিলো, রিয়ার দুধ দেখে মর্দন করতে লাগলো। "আহ অর্ণব, জোরে চাপো আমার দুধ, বোঁটা চোষো যেন দুধ বের হয়।" অর্ণব বোঁটা চুষতে লাগলো, কামড়াতে লাগলো। রিয়া কাঁপতে লাগলো, তার হাত অর্ণবের প্যান্টে গেল, ধন ধরলো। "ওরে বাবা, এতো বাঁকা ধন! আমার বোদা ফাটিয়ে দেবে।" অর্ণব রিয়ার নাবিল চুমু খেলো। "আহ, নাবিলে জিভ ঢোকা, চাটো গভীরে।" অর্ণব জিভ ঘুরালো, তারপর নিচে নামলো, রিয়ার প্যান্টি খুলে দিলো। তার প্যান্টি ভিজে গিয়েছে। সে প্যান্টি নামালো, রিয়ার বোদা দেখে – ভিজা, গোলাপি, টাইট – তার জিভ ঢোকালো। রিয়া চেঁচিয়ে উঠলো, "চাটো আমার বোদা, ক্লিট চোষো, আঙুল ঢোকা সাতটা!" অর্ণব সাতটা আঙুল ঢোকালো, ঘুরাতে লাগলো, রিয়ার রস ফোয়ারা হয়ে বের হলো।

রিয়া অর্ণবের প্যান্ট খুললো, ধন বের হলো – লম্বা, বাঁকা, প্রি-কাম বের হচ্ছে। রিয়া হাঁটু গেড়ে বসলো, ধনটা মুখে নিলো, চুষতে লাগলো গভীরে। "আহ রিয়া, চোষো জোরে, গলা পর্যন্ত নাও।" রিয়া তাই করলো, চোষার সাথে বলস চাটলো, হাত দিয়ে ঘষলো। অর্ণব তার মাথা ধরে মুখে ঠাপ দিতে লাগলো। রিয়া গোঙাতে লাগলো, তার বোদা থেকে রস পড়তে লাগলো। তারা ৬৯ পজিশনে বিছানায় হলো – রিয়া উপরে, অর্ণবের ধন চুষছে, অর্ণব রিয়ার বোদা চাটছে। ঘন্টা সাতেক ধরে তারা খেললো – রিয়ার দুধ চোষা, নাবিল কামড়ানো, বোদায় জিভ আর আঙুল, অর্ণবের ধন চোষা, বলস ম্যাসাজ। রিয়া অর্ণবের ধনের উপর তেল মাখিয়ে ঘষলো, অর্ণব রিয়ার নিতম্বে স্প্যাঙ্ক করলো। রিয়া তার দুধের মাঝে অর্ণবের ধন ঘষলো, টিট ফাক করলো। অর্ণব রিয়ার নিতম্বের গর্তে আঙুল ঢোকালো।

অর্ণব রিয়াকে বিছানায় শুইয়ে দিলো। সে তার ধন রিয়ার বোদায় ঘষলো, "রেডি?" রিয়া বললো, "হ্যাঁ, ঢোকাও তোমার বাঁকা ধন, ফাটিয়ে দাও আমার বোদা, মাল দাও ভিতরে।" অর্ণব জোরে ঢোকালো, রিয়া ব্যথায় চেঁচিয়ে উঠলো, কিন্তু বললো, "জোরে ঠাপ দাও, গভীরে যাও, আমার গর্ভে পৌঁছাও।" অর্ণব জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, কটেজে ঠাপের শব্দ আর রিয়ার আহ আহ মিশে গেল। রিয়ার দুধ দুলতে লাগলো, অর্ণব তা চুষতে চুষতে ঠাপ দিলো। রিয়া তার পা জড়িয়ে ধরলো, "আরও জোরে, আমার বোদা চিরে দাও, রস দাও ভিতরে।" তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – রিয়া উপরে উঠলো, অর্ণবের ধনের উপর লাফাতে লাগলো যেন রাইড করছে। তার দুধ লাফাতে লাগলো, অর্ণব তা ধরে মর্দন করলো, বোঁটা টেনে ধরলো। রিয়া তার নাবিলে অর্ণবের আঙুল ঢোকালো, "এখানেও খেলো, সব জায়গায় স্পর্শ করো।" তারা ডগি স্টাইলে হলো, অর্ণব পিছন থেকে ঠাপ দিতে লাগলো, রিয়ার নিতম্ব চাপড়াতে লাগলো যেন লাল হয়ে যায়। "চাপড়াও জোরে, আমাকে পানিশ করো," রিয়া বললো। অর্ণব তার নিতম্ব লাল করে দিলো, তারপর তার ধন রিয়ার নিতম্বের গর্তে ঘষলো, আস্তে ঢোকালো। রিয়া আহ করে উঠলো, "আহ, অ্যানাল করো, ফাটিয়ে দাও।"

ঘন্টা আটেক ধরে তারা চোদাচুদি করলো, বিভিন্ন পজিশনে – মিশনারি, কাউগার্ল, রিভার্স কাউগার্ল, অ্যানাল, ওরাল। অর্ণব রিয়ার বোদায় তার মাল ছেড়ে দিলো, গরম মাল ভরে গেল, কিন্তু তারা থামলো না। রিয়া অর্ণবের ধন চুষে আবার শক্ত করলো, আবার শুরু করলো। তারা কটেজের বাইরে পাহাড়ে গেল, কুয়াশায় লুকিয়ে মিলিত হলো – পাহাড়ের পাথরে ঠেকিয়ে অর্ণব রিয়ার বোদায় ঢোকালো, জোরে ঠাপ দিলো। রিয়া পাথর ধরে আহ করে উঠলো। তারা কটেজের ফায়ারপ্লেসের সামনে গেল, আগুনের তাপে চোদাচুদি করলো। পরের দিনগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো – একদিন পাহাড়ের ট্রেকে, অন্যদিন কটেজের বাথটবে। রিয়া অর্ণবের ধনের উপর মধু মাখিয়ে চুষতো, অর্ণব রিয়ার বোদায় চকলেট ঢেলে চাটতো। রিয়া অর্ণবকে তার দুধের মাঝে ধন ঘষতে দিতো, অর্ণব রিয়ার নিতম্বে মাল ছেড়ে দিতো। তাদের আবেগের আগুন ছিল অসীম, প্রত্যেক মিলনে রিয়ার বোদা থেকে রস ফোয়ারার মতো বের হতো, অর্ণবের ধন থেকে মাল ছিটকে পড়তো। কিন্তু হানিমুন শেষ হলো, তারা বাড়ি ফিরলো। কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই কটেজে। রিয়া বাড়িতে নিজের বোদায় ভাইব্রেটর ঢোকাতো, অর্ণবের বাঁকা ধনের কথা ভেবে, তার দুধ চাপতে চাপতে মাল বের করে দিতো। এমনি করে তাদের গল্প পাহাড়ের মতো উঁচু হয়ে গেল।