ট্রেনের কম্পার্টমেন্টে রিয়া ও অভিজিতের যাত্রা

একটা লং ডিসট্যান্স ট্রেনে, যেখানে চাকার শব্দ আর যাত্রীদের কথা মিলে একটা চলমান পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে যাত্রা করছিল রিয়া। রিয়া ছিল একটা যুবতী, বয়স ২৭, যে তার চাকরির জন্য শহরে যাচ্ছিল। তার শরীরটা ছিল কামুক – বিশাল দুধ যা তার কুর্তির নিচে থেকে উঁচু হয়ে থাকতো, গভীর নাবিল যা লেগিংসের উপর থেকে দেখা যেত, আর সেই বোদা যা তার মনে সবসময় আগুন জ্বালাতো। রিয়ার চেহারা ছিল ফর্সা, লম্বা চুল, আর তার চোখে ছিল একটা দুষ্টু চাহনি। ট্রেনে যাত্রা করতে করতে সে বোর হয়ে যেত, তাই সে লুকিয়ে তার দুধ স্পর্শ করতো, নাবিলে আঙুল দিতো, আর মনে মনে কল্পনা করতো কোনো পুরুষের সাথে মিলনের। তার বোদা ভিজে যেত, কিন্তু সে নিয়ন্ত্রণ করতো।

অভিজিত ছিল তার কম্পার্টমেন্টের সহযাত্রী, বয়স ৩০, একটা বিজনেসম্যান। তার শরীরটা ছিল মজবুত – শক্ত বাহু, প্রশস্ত কাঁধ, আর তার ধনটা ছিল মোটা এবং লম্বা, যা তার প্যান্টের নিচে ফুলে থাকতো। অভিজিত রিয়াকে দেখলো যখন ট্রেন চলতে শুরু করলো। কম্পার্টমেন্টটা ছিল এসি, চারজনের, কিন্তু অন্য দুজন নামেনি। তারা দুজনে একা। "হাই, আমি অভিজিত। তুমি?" অভিজিত বললো। রিয়া হাসলো, "রিয়া। লং জার্নি, না?" কথা থেকে কথা বাড়লো। রাত হলো, ট্রেন চলছে দ্রুত। অভিজিত বললো, "ঘুম আসছে না।" রিয়া বললো, "আমারও। চলো গল্প করি।"

গল্প থেকে কথা সেক্সে চলে গেল। রিয়া বললো, "তুমি কখনো ট্রেনে কিছু করেছো?" অভিজিত হাসলো, "না, কিন্তু চাই।" রিয়া তার কাছে এলো, অভিজিতের ঠোঁটে চুমু খেলো। অভিজিত তার কুর্তি তুলে দিলো, রিয়ার দুধ মর্দন করলো। "আহ অভি, জোরে চাপো আমার দুধ।" অভিজিত ব্রা খুলে দিলো, রিয়ার বোঁটা চুষতে লাগলো। রিয়া কাঁপতে লাগলো, তার নাবিলে অভিজিতের হাত দিলো। "এখানে চাটো।" অভিজিত নাবিল চাটলো, জিভ ঘুরালো। রিয়া তার লেগিংস খুলে দিলো, অভিজিত তার প্যান্টি নামালো। রিয়ার বোদা দেখে অভিজিতের মুখে জল এলো – ভিজা, গোলাপি, লোমহীন। সে জিভ ঢোকালো, চাটতে লাগলো। রিয়া চেঁচালো, "আহ, আঙুল ঢোকা, চাটো জোরে।" অভিজিত তিনটা আঙুল ঢোকালো, ঘুরাতে লাগলো।

রিয়া অভিজিতের প্যান্ট খুললো। অভিজিতের ধন বের হলো – মোটা, লম্বা, শিরা ফুলা। রিয়া তা ধরলো, "এতো বড়! আমার বোদা ভরে দেবে।" সে মুখে নিলো, চুষতে লাগলো। অভিজিত আহ করে উঠলো, "রিয়া, চোষো গভীরে।" রিয়া চোষার সাথে হাত ঘষলো, বলস চাটলো। তারা ৬৯ পজিশনে হলো বার্থে – রিয়া উপরে, অভিজিতের ধন চুষছে, অভিজিত রিয়ার বোদা চাটছে। ট্রেনের শব্দে তাদের আওয়াজ ঢেকে গেল। ঘন্টাখানেক ধরে তারা শরীর অন্বেষণ করলো – রিয়ার দুধ মর্দন, নাবিল চাটা, বোদায় আঙুল, অভিজিতের ধন চোষা, বলস চাটা। রিয়া অভিজিতের ধনের ডগায় চুমু খেলো, অভিজিত রিয়ার নিতম্বে কামড়ালো।

অভিজিত রিয়াকে বার্থে শুইয়ে দিলো। সে তার ধন রিয়ার বোদায় ঢোকালো। রিয়া আহ করে উঠলো, "জোরে ঠাপ দাও, ফাটিয়ে দাও।" অভিজিত জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, ট্রেনের ঝাঁকুনিতে আরও মজা হলো। রিয়ার দুধ দুলতে লাগলো, অভিজিত তা চুষতে চুষতে ঠাপ দিলো। তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – রিয়া উপরে, অভিজিতের উপর রাইড করতে লাগলো। তার নাবিলে অভিজিত আঙুল দিলো। "আহ, সব জায়গায় স্পর্শ করো।" তারা সাইড বাই সাইড হলো, অভিজিত পিছন থেকে ঢোকালো, রিয়ার নিতম্ব ধরে ঠাপ দিলো। ঘন্টা চারেক ধরে তারা চোদাচুদি করলো, ট্রেনের বিভিন্ন স্টপে থামতে থামতে। অভিজিত রিয়ার মুখে তার রস ছেড়ে দিলো, কিন্তু তারা আবার শুরু করলো। রিয়া অভিজিতের ধন চুষে শক্ত করলো, আবার মিলিত হলো।

পরের স্টেশনগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো – একদিন টয়লেটে, অন্যদিন প্যান্ট্রিতে। রিয়া অভিজিতের ধনের উপর চকলেট মাখিয়ে চুষতো, অভিজিত রিয়ার বোদায় ফল ঢোকাতো। তাদের যাত্রা হয়ে উঠলো কামের যাত্রা। কিন্তু ট্রেনের শেষ স্টেশনে তারা বিদায় নিলো। রিয়া তার শহরে চলে গেল, অভিজিত তার। কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই কম্পার্টমেন্টে। রিয়া রাতে নিজের বোদায় আঙুল ঢোকাতো, অভিজিতের ধনের কথা ভেবে, তার দুধ চাপতো। অভিজিতও তাই করতো। এমনি করে তাদের গল্প ট্রেনের লাইনের মতো লম্বা হয়ে গেল।