রেল স্টেশনের ওয়েটিং রুমে প্রিয়াঙ্কা ও সৌম্যের গোপন রাত
দিল্লির একটা ব্যস্ত রেল স্টেশনে, যেখানে ট্রেনের হুইসেল আর যাত্রীদের ভিড় মিলে একটা চলমান কিন্তু উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিল প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কা ছিল একটা টুরিস্ট, বয়স ২৪। তার শরীরটা ছিল যেন একটা সেক্সি মডেলের – বিশাল দুধ যা তার টাইট কুর্তির নিচে থেকে উঁচু হয়ে থাকতো, গভীর নাবিল যা তার লেগিংসের উপর থেকে দেখা যেত, আর সেই বোদা যা তার মনে সবসময় ধনের জন্য কাঁপতো। প্রিয়াঙ্কার চুল ছিল ছোট কার্লি, চোখ দুটো নীল, আর তার ঠোঁট ছিল মোটা যেন চুমু খাওয়ার জন্য তৈরি। স্টেশনে বসে তার ঘামে ভিজে যাওয়া শরীর দেখলে পুরুষদের ধন শক্ত হয়ে যেত। প্রিয়াঙ্কা বাড়িতে একা শুয়ে তার দুধ মর্দন করতো, বোঁটা টেনে আহ করে উঠতো, তারপর নাবিলে আঙুল ঘুরিয়ে, অবশেষে বোদায় সাতটা আঙুল ঢোকাতো। সে কল্পনা করতো একটা মোটা ধনের যা তার বোদা ফাটিয়ে দিতো, আর তার মাল তার মুখে ছেড়ে দিতো। তার বোদা থেকে রস ছিটকে পড়তো, কিন্তু তার খিদে মেটাতো না।
সৌম্য ছিল স্টেশনের একটা যাত্রী, বয়স ৩০। তার শরীরটা ছিল ফিট – শক্ত পেশী, প্রশস্ত বুক, আর তার ধনটা ছিল ১১ ইঞ্চি লম্বা, মোটা যেন একটা কলা, শিরা ফুলে উঠা, আর ডগায় লালচে। সৌম্য প্রিয়াঙ্কাকে দেখলো যখন সে ওয়েটিং রুমে বসে ছিল। প্রিয়াঙ্কার কুর্তি ভিজে গিয়ে তার দুধের বোঁটা ফুটে উঠেছিল। সৌম্য কাছে এলো, "হাই, ট্রেন লেট?" প্রিয়াঙ্কা হাসলো, তার দুধ দুলে উঠলো। "হ্যাঁ, কিন্তু রাত কাটানোর জায়গা চাই।"
রাত হলো, ওয়েটিং রুম খালি হয়ে গেল। তারা একটা গোপন কোণে গেল। প্রিয়াঙ্কা সৌম্যের ঠোঁটে চুমু খেলো, জিভ ঢোকালো। সৌম্য তার কুর্তি খুলে দিলো, প্রিয়াঙ্কার দুধ দেখে মর্দন করতে লাগলো। "আহ সৌম্য, জোরে চাপো আমার বিশাল দুধ, বোঁটা চোষো যেন দুধ বের হয়।" সৌম্য বোঁটা চুষতে লাগলো, কামড়াতে লাগলো। প্রিয়াঙ্কা কাঁপতে লাগলো, তার হাত সৌম্যের প্যান্টে গেল, ধন ধরলো। "ওরে বাবা, এতো লম্বা ধন! আমার বোদা ফাটিয়ে দেবে।" সৌম্য প্রিয়াঙ্কার নাবিল চুমু খেলো। "আহ, নাবিলে জিভ ঢোকা, চাটো গভীরে।" সৌম্য জিভ ঘুরালো, তারপর নিচে নামলো, প্রিয়াঙ্কার লেগিংস খুলে দিলো। তার প্যান্টি ভিজে গিয়েছে। সে প্যান্টি নামালো, প্রিয়াঙ্কার বোদা দেখে – ভিজা, গোলাপি, টাইট – তার জিভ ঢোকালো। প্রিয়াঙ্কা চেঁচিয়ে উঠলো, "চাটো আমার বোদা, ক্লিট চোষো, আঙুল ঢোকা আটটা!" সৌম্য আটটা আঙুল ঢোকালো, ঘুরাতে লাগলো, প্রিয়াঙ্কার রস ফোয়ারা হয়ে বের হলো।
প্রিয়াঙ্কা সৌম্যের প্যান্ট খুললো, ধন বের হলো – লম্বা, মোটা, প্রি-কাম বের হচ্ছে। প্রিয়াঙ্কা হাঁটু গেড়ে বসলো, ধনটা মুখে নিলো, চুষতে লাগলো গভীরে। "আহ প্রিয়াঙ্কা, চোষো জোরে, গলা পর্যন্ত নাও।" প্রিয়াঙ্কা তাই করলো, চোষার সাথে বলস চাটলো, হাত দিয়ে ঘষলো। সৌম্য তার মাথা ধরে মুখে ঠাপ দিতে লাগলো। প্রিয়াঙ্কা গোঙাতে লাগলো, তার বোদা থেকে রস পড়তে লাগলো। তারা ৬৯ পজিশনে মেঝেতে হলো – প্রিয়াঙ্কা উপরে, সৌম্যের ধন চুষছে, সৌম্য প্রিয়াঙ্কার বোদা চাটছে। ঘন্টা ছয়েক ধরে তারা খেললো – প্রিয়াঙ্কার দুধ চোষা, নাবিল কামড়ানো, বোদায় জিভ আর আঙুল, সৌম্যের ধন চোষা, বলস ম্যাসাজ। প্রিয়াঙ্কা সৌম্যের ধনের উপর লালা ফেলে ঘষলো, সৌম্য প্রিয়াঙ্কার নিতম্বে স্প্যাঙ্ক করলো। প্রিয়াঙ্কা তার দুধের মাঝে সৌম্যের ধন ঘষলো, টিট ফাক করলো। সৌম্য প্রিয়াঙ্কার নিতম্বের গর্তে আঙুল ঢোকালো।
সৌম্য প্রিয়াঙ্কাকে ওয়েটিং রুমের বেঞ্চে শুইয়ে দিলো। সে তার ধন প্রিয়াঙ্কার বোদায় ঘষলো, "রেডি?" প্রিয়াঙ্কা বললো, "হ্যাঁ, ঢোকাও তোমার লম্বা ধন, ফাটিয়ে দাও আমার বোদা, মাল দাও ভিতরে।" সৌম্য জোরে ঢোকালো, প্রিয়াঙ্কা ব্যথায় চেঁচিয়ে উঠলো, কিন্তু বললো, "জোরে ঠাপ দাও, গভীরে যাও, আমার গর্ভে পৌঁছাও।" সৌম্য জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, স্টেশনের শব্দে তাদের আওয়াজ ঢেকে গেল। প্রিয়াঙ্কার দুধ দুলতে লাগলো, সৌম্য তা চুষতে চুষতে ঠাপ দিলো। প্রিয়াঙ্কা তার পা জড়িয়ে ধরলো, "আরও জোরে, আমার বোদা চিরে দাও, রস দাও ভিতরে।" তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – প্রিয়াঙ্কা উপরে উঠলো, সৌম্যের ধনের উপর লাফাতে লাগলো যেন রাইড করছে। তার দুধ লাফাতে লাগলো, সৌম্য তা ধরে মর্দন করলো, বোঁটা টেনে ধরলো। প্রিয়াঙ্কা তার নাবিলে সৌম্যের আঙুল ঢোকালো, "এখানেও খেলো, সব জায়গায় স্পর্শ করো।" তারা ডগি স্টাইলে হলো, সৌম্য পিছন থেকে ঠাপ দিতে লাগলো, প্রিয়াঙ্কার নিতম্ব চাপড়াতে লাগলো যেন লাল হয়ে যায়। "চাপড়াও জোরে, আমাকে পানিশ করো," প্রিয়াঙ্কা বললো। সৌম্য তার নিতম্ব লাল করে দিলো, তারপর তার ধন প্রিয়াঙ্কার নিতম্বের গর্তে ঘষলো, আস্তে ঢোকালো। প্রিয়াঙ্কা আহ করে উঠলো, "আহ, অ্যানাল করো, ফাটিয়ে দাও।"
ঘন্টা নয়েক ধরে তারা চোদাচুদি করলো, বিভিন্ন পজিশনে – মিশনারি, কাউগার্ল, রিভার্স কাউগার্ল, অ্যানাল, ওরাল। সৌম্য প্রিয়াঙ্কার মুখে তার মাল ছেড়ে দিলো, গরম মাল ভরে গেল, কিন্তু তারা থামলো না। প্রিয়াঙ্কা সৌম্যের ধন চুষে আবার শক্ত করলো, আবার শুরু করলো। তারা ওয়েটিং রুমের বাইরে প্ল্যাটফর্মে গেল, রাতে লুকিয়ে মিলিত হলো – ট্রেনের সাইডে ঠেকিয়ে সৌম্য প্রিয়াঙ্কার বোদায় ঢোকালো, জোরে ঠাপ দিলো। প্রিয়াঙ্কা রেলিং ধরে আহ করে উঠলো। তারা স্টেশনের বাথরুমে গেল, শাওয়ারের নিচে চোদাচুদি করলো। পরের রাতগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো – একদিন ট্রেনের কম্পার্টমেন্টে, অন্যদিন স্টেশনের গোডাউনে। প্রিয়াঙ্কা সৌম্যের ধনের উপর চকলেট মাখিয়ে চুষতো, সৌম্য প্রিয়াঙ্কার বোদায় ক্রিম ঢেলে চাটতো। প্রিয়াঙ্কা সৌম্যকে তার দুধের মাঝে ধন ঘষতে দিতো, সৌম্য প্রিয়াঙ্কার নিতম্বে মাল ছেড়ে দিতো। তাদের গোপন রাত ছিল অসীম, প্রত্যেক মিলনে প্রিয়াঙ্কার বোদা থেকে রস ফোয়ারার মতো বের হতো, সৌম্যের ধন থেকে মাল ছিটকে পড়তো। কিন্তু প্রিয়াঙ্কার ট্রেন এলো, সে চলে গেল। সৌম্য স্টেশনে একা রইলো, কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই ওয়েটিং রুমে। প্রিয়াঙ্কা ট্রেনে নিজের বোদায় আঙুল ঢোকাতো, সৌম্যের লম্বা ধনের কথা ভেবে, তার দুধ চাপতে চাপতে মাল বের করে দিতো। এমনি করে তাদের গল্প রেলের লাইনের মতো লম্বা হয়ে গেল।
No comments:
Post a Comment