পার্কের বেঞ্চে মৌমিতা ও অভির উন্মাদনা

কলকাতার একটা বড় পার্কে, যেখানে গাছের ছায়া আর পাখির ডাক মিলে একটা শান্ত কিন্তু রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে হাঁটতে আসতো মৌমিতা। মৌমিতা ছিল একটা কলেজ ছাত্রী, বয়স ২০। তার শরীরটা ছিল যেন একটা যৌবনের ফুল – বড় বড় দুধ যা তার টাইট টপের নিচে থেকে দুলে উঠতো, গভীর নাবিল যা তার ক্রপ টপের নিচে থেকে উঁকি মারতো, আর সেই বোদা যা তার জিন্সের নিচে সবসময় গরম হয়ে থাকতো। মৌমিতার চুল ছিল লম্বা কোঁকড়া, চোখ দুটো কাজল কালো, আর তার ঠোঁট ছিল মোটা যেন ধন চোষার জন্য তৈরি। পার্কে হাঁটতে হাঁটতে তার ঘামে ভিজে যাওয়া শরীর দেখলে ছেলেরা লোভে পড়তো। মৌমিতা বাড়িতে একা শুয়ে তার দুধ মর্দন করতো, বোঁটা টেনে আহ করে উঠতো, তারপর নাবিলে আঙুল ঘুরিয়ে, অবশেষে বোদায় পাঁচটা আঙুল ঢোকাতো। সে কল্পনা করতো একটা শক্ত ধনের যা তার বোদা ফাটিয়ে দিতো, আর তার মাল তার মুখে ছেড়ে দিতো। তার বোদা থেকে রস ফোয়ারা হয়ে বের হতো, কিন্তু তার খিদে মেটাতো না।

অভি ছিল পার্কের একটা জগার, বয়স ২৫। তার শরীরটা ছিল অ্যাথলেটিক – শক্ত পেশী, প্রশস্ত বুক, আর তার ধনটা ছিল ৯ ইঞ্চি লম্বা, মোটা যেন একটা লোহার রড, শিরা ফুলে উঠা, আর ডগায় লালচে। অভি মৌমিতাকে দেখলো যখন সে বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিল। মৌমিতার টপ ভিজে গিয়ে তার দুধের বোঁটা ফুটে উঠেছিল। অভি কাছে এলো, "হাই, একা বসে?" মৌমিতা হাসলো, তার দুধ দুলে উঠলো। "হ্যাঁ, কিন্তু কোম্পানি চাই।"

সন্ধ্যায় পার্ক অন্ধকার হয়ে গেল। তারা একটা গোপন বেঞ্চের পিছনে গেল। মৌমিতা অভির ঠোঁটে চুমু খেলো, জিভ ঢোকালো। অভি তার টপ খুলে দিলো, মৌমিতার দুধ দেখে মর্দন করতে লাগলো। "আহ অভি, জোরে চাপো আমার বিশাল দুধ, বোঁটা চোষো যেন দুধ বের হয়।" অভি বোঁটা চুষতে লাগলো, কামড়াতে লাগলো। মৌমিতা কাঁপতে লাগলো, তার হাত অভির প্যান্টে গেল, ধন ধরলো। "ওরে বাবা, এতো মোটা ধন! আমার বোদা ভরে দেবে।" অভি মৌমিতার নাবিল চুমু খেলো। "আহ, নাবিলে জিভ ঢোকা, চাটো গভীরে।" অভি জিভ ঘুরালো, তারপর নিচে নামলো, মৌমিতার জিন্স খুলে দিলো। তার প্যান্টি ভিজে গিয়েছে। সে প্যান্টি নামালো, মৌমিতার বোদা দেখে – গোলাপি, ভিজা, টাইট – তার জিভ ঢোকালো। মৌমিতা চেঁচিয়ে উঠলো, "চাটো আমার বোদা, ক্লিট চোষো, আঙুল ঢোকা ছয়টা!" অভি ছয়টা আঙুল ঢোকালো, ঘুরাতে লাগলো, মৌমিতার রস ফোয়ারা হয়ে বের হলো।

মৌমিতা অভির প্যান্ট খুললো, ধন বের হলো – মোটা, লম্বা, প্রি-কাম বের হচ্ছে। মৌমিতা হাঁটু গেড়ে বসলো, ধনটা মুখে নিলো, চুষতে লাগলো গভীরে। "আহ মৌমিতা, চোষো জোরে, গলা পর্যন্ত নাও।" মৌমিতা তাই করলো, চোষার সাথে বলস চাটলো, হাত দিয়ে ঘষলো। অভি তার মাথা ধরে মুখে ঠাপ দিতে লাগলো। মৌমিতা গোঙাতে লাগলো, তার বোদা থেকে রস পড়তে লাগলো। তারা ৬৯ পজিশনে ঘাসে হলো – মৌমিতা উপরে, অভির ধন চুষছে, অভি মৌমিতার বোদা চাটছে। ঘন্টা পাঁচেক ধরে তারা খেললো – মৌমিতার দুধ চোষা, নাবিল কামড়ানো, বোদায় জিভ আর আঙুল, অভির ধন চোষা, বলস ম্যাসাজ। মৌমিতা অভির ধনের উপর ঘাম মাখিয়ে ঘষলো, অভি মৌমিতার নিতম্বে স্প্যাঙ্ক করলো। মৌমিতা তার দুধের মাঝে অভির ধন ঘষলো, টিট ফাক করলো। অভি মৌমিতার নিতম্বের গর্তে আঙুল ঢোকালো।

অভি মৌমিতাকে বেঞ্চে শুইয়ে দিলো। সে তার ধন মৌমিতার বোদায় ঘষলো, "রেডি?" মৌমিতা বললো, "হ্যাঁ, ঢোকাও তোমার মোটা ধন, ফাটিয়ে দাও আমার বোদা, মাল দাও ভিতরে।" অভি জোরে ঢোকালো, মৌমিতা ব্যথায় চেঁচিয়ে উঠলো, কিন্তু বললো, "জোরে ঠাপ দাও, গভীরে যাও, আমার গর্ভে পৌঁছাও।" অভি জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, পার্কের শব্দে তাদের আওয়াজ ঢেকে গেল। মৌমিতার দুধ দুলতে লাগলো, অভি তা চুষতে চুষতে ঠাপ দিলো। মৌমিতা তার পা জড়িয়ে ধরলো, "আরও জোরে, আমার বোদা চিরে দাও, রস দাও ভিতরে।" তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – মৌমিতা উপরে উঠলো, অভির ধনের উপর লাফাতে লাগলো যেন রাইড করছে। তার দুধ লাফাতে লাগলো, অভি তা ধরে মর্দন করলো, বোঁটা টেনে ধরলো। মৌমিতা তার নাবিলে অভির আঙুল ঢোকালো, "এখানেও খেলো, সব জায়গায় স্পর্শ করো।" তারা ডগি স্টাইলে হলো, অভি পিছন থেকে ঠাপ দিতে লাগলো, মৌমিতার নিতম্ব চাপড়াতে লাগলো যেন লাল হয়ে যায়। "চাপড়াও জোরে, আমাকে পানিশ করো," মৌমিতা বললো। অভি তার নিতম্ব লাল করে দিলো, তারপর তার ধন মৌমিতার নিতম্বের গর্তে ঘষলো, আস্তে ঢোকালো। মৌমিতা আহ করে উঠলো, "আহ, অ্যানাল করো, ফাটিয়ে দাও।"

ঘন্টা ছয়েক ধরে তারা চোদাচুদি করলো, বিভিন্ন পজিশনে – মিশনারি, কাউগার্ল, রিভার্স কাউগার্ল, অ্যানাল, ওরাল। অভি মৌমিতার বোদায় তার মাল ছেড়ে দিলো, গরম মাল ভরে গেল, কিন্তু তারা থামলো না। মৌমিতা অভির ধন চুষে আবার শক্ত করলো, আবার শুরু করলো। তারা পার্কের গাছের নিচে গেল, রাতে লুকিয়ে মিলিত হলো – গাছের সাথে ঠেকিয়ে অভি মৌমিতার বোদায় ঢোকালো, জোরে ঠাপ দিলো। মৌমিতা গাছ ধরে আহ করে উঠলো। তারা পার্কের ঝর্ণার কাছে গেল, জলে ভিজে চোদাচুদি করলো। পরের দিনগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো – একদিন পার্কের গেটের পিছনে, অন্যদিন বেঞ্চের নিচে। মৌমিতা অভির ধনের উপর তেল মাখিয়ে চুষতো, অভি মৌমিতার বোদায় ফুল ঢোকাতো। মৌমিতা অভিকে তার দুধের মাঝে ধন ঘষতে দিতো, অভি মৌমিতার নিতম্বে মাল ছেড়ে দিতো। তাদের উন্মাদনা ছিল অসীম, প্রত্যেক মিলনে মৌমিতার বোদা থেকে রস ফোয়ারার মতো বের হতো, অভির ধন থেকে মাল ছিটকে পড়তো। কিন্তু মৌমিতার কলেজ শেষ হলো, সে চলে গেল অন্য শহরে। অভি পার্কে একা রইলো, কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই বেঞ্চে। মৌমিতা নতুন জায়গায় নিজের বোদায় আঙুল ঢোকাতো, অভির মোটা ধনের কথা ভেবে, তার দুধ চাপতে চাপতে মাল বের করে দিতো। এমনি করে তাদের গল্প পার্কের গাছে খোদাই হয়ে গেল।