গ্রামের লুকানো প্রেম

একটি ছোট গ্রামে, যেখানে ধানের খেত আর নদীর পাড়ে জীবন চলে, সেখানে থাকতো রিয়া। রিয়া ছিল একটি বাংলাদেশী মেয়ে, বয়স মাত্র ২২। তার শরীর ছিল অসাধারণ সুন্দর – লম্বা কালো চুল, ফর্সা গায়ের রং, আর তার দুধ দুটো ছিল পূর্ণতায় ভরা, যেন দুটো পাকা আম। তার বোদা ছিল নরম, গোলাপী রঙের, যা সবসময় তার মনে একটা অস্থিরতা জাগাতো। গ্রামের ছেলেরা তার দিকে তাকিয়ে থাকতো, কিন্তু রিয়া কারো সাথে মিশতো না। তার জীবনে এলো রাহুল, একটি ২৫ বছরের ছেলে, যে গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতা করতো। রাহুলের ধন ছিল লম্বা আর মোটা, যা তার প্যান্টের ভিতরে লুকিয়ে থাকতো, কিন্তু তার চোখে ছিল একটা গভীর প্রেম।

একদিন বিকেলে, নদীর পাড়ে রিয়া একা বসে ছিল। তার পরনে ছিল একটা পাতলা শাড়ি, যা তার দুধের আকারকে আরও স্পষ্ট করে তুলছিল। রাহুল সেখানে এসে পড়লো। "রিয়া, তুমি এখানে একা কেন?" রাহুল জিজ্ঞাসা করলো। রিয়া লজ্জায় মুখ নিচু করে বললো, "আমার মনটা অস্থির, দাদা।" রাহুল তার কাছে বসলো, তার হাতটা রিয়ার হাতে রাখলো। ধীরে ধীরে তাদের কথা বাড়তে লাগলো। রাহুল তার চোখে চোখ রেখে বললো, "তুমি খুব সুন্দর, রিয়া। তোমার শরীরটা যেন একটা মূর্তি।" রিয়া লজ্জা পেয়ে গেল, কিন্তু তার ভিতরে একটা আগুন জ্বলে উঠলো।

সন্ধ্যা নামতে শুরু করলো। চারদিক অন্ধকার হয়ে গেল। রাহুল রিয়াকে জড়িয়ে ধরলো। তার হাতটা রিয়ার দুধে চলে গেল। রিয়া কাঁপতে লাগলো, কিন্তু প্রতিরোধ করলো না। রাহুল তার শাড়ি খুলে ফেললো, রিয়ার দুধ দুটো উন্মুক্ত হয়ে গেল। সেগুলো ছিল নরম, গোলাকার, আর তার বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে উঠছিল। রাহুল তার মুখটা রিয়ার দুধে রাখলো, চুষতে লাগলো। রিয়া আহ করে উঠলো, "আহহ... দাদা, এটা কী করছো?" রাহুল বললো, "তোমাকে ভালোবাসছি, রিয়া।" তারপর রাহুল তার প্যান্ট খুললো, তার ধনটা বেরিয়ে এলো – লম্বা, মোটা, আর শিরা দিয়ে ভরা। রিয়া চোখ বড় করে তাকালো, তার হাতটা ধরে ধরলো। "এটা এত বড়!" সে বললো।

রাহুল রিয়াকে শুইয়ে দিলো নরম ঘাসের উপর। তার হাতটা রিয়ার বোদায় চলে গেল। রিয়ার বোদা ছিল ভিজে, গরম, আর তার ভিতরে একটা অস্থিরতা। রাহুল তার আঙুল দিয়ে খেলতে লাগলো, রিয়া কাঁপতে কাঁপতে বললো, "আর সহ্য হচ্ছে না, দাদা।" রাহুল তার ধনটা রিয়ার বোদায় ঢোকাতে শুরু করলো। প্রথমে একটু ব্যথা হলো, কিন্তু তারপর আনন্দে ভরে গেল। রাহুল ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগলো, রিয়ার দুধ দুটো লাফাতে লাগলো। "আহহ... উমম... দাদা, আরও জোরে!" রিয়া চিৎকার করলো। রাহুলের ধনটা রিয়ার বোদার ভিতরে গভীরে গেল, তাদের শরীর দুটো এক হয়ে গেল। অনেকক্ষণ ধরে এই খেলা চললো, রিয়ার বোদা থেকে রস বেরিয়ে এলো, আর রাহুলের ধন থেকে গরম বীর্য। তারা দুজন জড়িয়ে শুয়ে রইলো, নদীর হাওয়ায়।

পরের দিনগুলোতে তাদের প্রেম গভীর হলো। গ্রামের লোকেরা জানতে পারলো না, কিন্তু রাতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো। একদিন রাহুল রিয়াকে বললো, "আমি তোমাকে বিয়ে করবো।" রিয়া খুশিতে কেঁদে উঠলো। কিন্তু গ্রামের একটা ছেলে, যে রিয়াকে চাইতো, সে তাদের দেখে ফেললো। সে গ্রামে খবর ছড়িয়ে দিলো। রিয়ার বাবা রাগ করে রিয়াকে বাড়িতে বন্দি করলো। রাহুল চেষ্টা করলো, কিন্তু গ্রামের লোকেরা তাকে মারধর করলো। রিয়া কাঁদতে কাঁদতে বললো, "দাদা, আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করবো।"

অনেক দিন পর, রাহুল শহরে চলে গেল চাকরি করতে। সে টাকা জমিয়ে এলো, রিয়ার বাবাকে রাজি করালো। তারা বিয়ে করলো। বিয়ের রাতে, রাহুল রিয়াকে আবার জড়িয়ে ধরলো। তার হাতটা রিয়ার দুধে, তার ধনটা রিয়ার বোদায়। এবার তাদের খেলা আরও গভীর হলো। রিয়া বললো, "দাদা, তোমার ধনটা আমার বোদায় পুরোপুরি ঢুকিয়ে দাও।" রাহুল জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলো, রিয়ার দুধ চেপে ধরলো। তাদের আনন্দের শেষ ছিল না। তারা সুখী জীবন যাপন করলো, গ্রামের লুকানো প্রেম থেকে উঠে এসে।