গ্রামের পুকুরে শিল্পা ও রাহুলের জলকেলি

একটা ছোট গ্রামের পুকুরে, যেখানে জলের ছলাৎছল শব্দ আর চারপাশের জঙ্গল মিলে একটা নির্জন কিন্তু কামুক পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে সাঁতার কাটতে আসতো শিল্পা। শিল্পা ছিল গ্রামের একটা মেয়ে, বয়স ২২। তার শরীরটা ছিল যেন প্রকৃতির গড়া – বড় বড় দুধ যা তার ভিজা শাড়ির নিচে থেকে লেপ্টে থাকতো, গভীর নাবিল যা জলে ভিজে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতো, আর সেই বোদা যা জলের ঠান্ডায় গরম হয়ে উঠতো। শিল্পার চুল ছিল লম্বা কালো, চোখ দুটো কালো, আর তার ঠোঁট ছিল মোটা যেন ধন চোষার জন্য তৈরি। পুকুরে সাঁতার কাটতে তার ভিজে শরীর দেখলে পুরুষদের ধন শক্ত হয়ে যেত। শিল্পা বাড়িতে একা শুয়ে তার দুধ মর্দন করতো, বোঁটা টেনে আহ করে উঠতো, তারপর নাবিলে আঙুল ঘুরিয়ে, অবশেষে বোদায় আটটা আঙুল ঢোকাতো। সে কল্পনা করতো একটা শক্ত ধনের যা তার বোদা ফাটিয়ে দিতো, আর তার মাল তার ভিতরে ফোয়ারা হয়ে ছেড়ে দিতো। তার বোদা থেকে রস ছিটকে পড়তো, কিন্তু তার খিদে মেটাতো না।

রাহুল ছিল গ্রামের একটা ছেলে, বয়স ২৬। তার শরীরটা ছিল পেশীবহুল – শক্ত হাত, প্রশস্ত কাঁধ, আর তার ধনটা ছিল ১২ ইঞ্চি লম্বা, মোটা যেন একটা লোহার রড, শিরা ফুলে উঠা, আর ডগায় লালচে। রাহুল শিল্পাকে দেখলো যখন সে পুকুরে সাঁতার কাটছিল। শিল্পার শাড়ি ভিজে গিয়ে তার দুধের বোঁটা ফুটে উঠেছিল। রাহুল কাছে এলো, "শিল্পা, একা সাঁতার?" শিল্পা হাসলো, তার দুধ দুলে উঠলো। "হ্যাঁ, কিন্তু সাথী চাই।"

সন্ধ্যায় পুকুর নির্জন হয়ে গেল। তারা জলে নামলো। শিল্পা রাহুলের ঠোঁটে চুমু খেলো, জিভ ঢোকালো। রাহুল তার শাড়ি খুলে দিলো, শিল্পার দুধ দেখে মর্দন করতে লাগলো। "আহ রাহুল, জোরে চাপো আমার বিশাল দুধ, বোঁটা চোষো যেন দুধ বের হয়।" রাহুল বোঁটা চুষতে লাগলো, কামড়াতে লাগলো। শিল্পা কাঁপতে লাগলো, তার হাত রাহুলের লুঙ্গিতে গেল, ধন ধরলো। "ওরে বাবা, এতো মোটা ধন! আমার বোদা ফাটিয়ে দেবে।" রাহুল শিল্পার নাবিল চুমু খেলো। "আহ, নাবিলে জিভ ঢোকা, চাটো গভীরে।" রাহুল জিভ ঘুরালো, তারপর নিচে নামলো, শিল্পার পেটিকোট খুলে দিলো। তার প্যান্টি ভিজে গিয়েছে। সে প্যান্টি নামালো, শিল্পার বোদা দেখে – ভিজা, গোলাপি, টাইট – তার জিভ ঢোকালো। শিল্পা চেঁচিয়ে উঠলো, "চাটো আমার বোদা, ক্লিট চোষো, আঙুল ঢোকা নয়টা!" রাহুল নয়টা আঙুল ঢোকালো, ঘুরাতে লাগলো, শিল্পার রস ফোয়ারা হয়ে বের হলো।

শিল্পা রাহুলের লুঙ্গি খুললো, ধন বের হলো – মোটা, লম্বা, প্রি-কাম বের হচ্ছে। শিল্পা হাঁটু গেড়ে বসলো, ধনটা মুখে নিলো, চুষতে লাগলো গভীরে। "আহ শিল্পা, চোষো জোরে, গলা পর্যন্ত নাও।" শিল্পা তাই করলো, চোষার সাথে বলস চাটলো, হাত দিয়ে ঘষলো। রাহুল তার মাথা ধরে মুখে ঠাপ দিতে লাগলো। শিল্পা গোঙাতে লাগলো, তার বোদা থেকে রস পড়তে লাগলো। তারা ৬৯ পজিশনে জলে হলো – শিল্পা উপরে, রাহুলের ধন চুষছে, রাহুল শিল্পার বোদা চাটছে। ঘন্টা সাতেক ধরে তারা খেললো – শিল্পার দুধ চোষা, নাবিল কামড়ানো, বোদায় জিভ আর আঙুল, রাহুলের ধন চোষা, বলস ম্যাসাজ। শিল্পা রাহুলের ধনের উপর জল মাখিয়ে ঘষলো, রাহুল শিল্পার নিতম্বে স্প্যাঙ্ক করলো। শিল্পা তার দুধের মাঝে রাহুলের ধন ঘষলো, টিট ফাক করলো। রাহুল শিল্পার নিতম্বের গর্তে আঙুল ঢোকালো।

রাহুল শিল্পাকে পুকুরের ধারে শুইয়ে দিলো। সে তার ধন শিল্পার বোদায় ঘষলো, "রেডি?" শিল্পা বললো, "হ্যাঁ, ঢোকাও তোমার মোটা ধন, ফাটিয়ে দাও আমার বোদা, মাল দাও ভিতরে।" রাহুল জোরে ঢোকালো, শিল্পা ব্যথায় চেঁচিয়ে উঠলো, কিন্তু বললো, "জোরে ঠাপ দাও, গভীরে যাও, আমার গর্ভে পৌঁছাও।" রাহুল জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, পুকুরের জলের শব্দে তাদের আওয়াজ ঢেকে গেল। শিল্পার দুধ দুলতে লাগলো, রাহুল তা চুষতে চুষতে ঠাপ দিলো। শিল্পা তার পা জড়িয়ে ধরলো, "আরও জোরে, আমার বোদা চিরে দাও, রস দাও ভিতরে।" তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – শিল্পা উপরে উঠলো, রাহুলের ধনের উপর লাফাতে লাগলো যেন রাইড করছে। তার দুধ লাফাতে লাগলো, রাহুল তা ধরে মর্দন করলো, বোঁটা টেনে ধরলো। শিল্পা তার নাবিলে রাহুলের আঙুল ঢোকালো, "এখানেও খেলো, সব জায়গায় স্পর্শ করো।" তারা ডগি স্টাইলে হলো, রাহুল পিছন থেকে ঠাপ দিতে লাগলো, শিল্পার নিতম্ব চাপড়াতে লাগলো যেন লাল হয়ে যায়। "চাপড়াও জোরে, আমাকে পানিশ করো," শিল্পা বললো। রাহুল তার নিতম্ব লাল করে দিলো, তারপর তার ধন শিল্পার নিতম্বের গর্তে ঘষলো, আস্তে ঢোকালো। শিল্পা আহ করে উঠলো, "আহ, অ্যানাল করো, ফাটিয়ে দাও।"

ঘন্টা দশেক ধরে তারা চোদাচুদি করলো, বিভিন্ন পজিশনে – মিশনারি, কাউগার্ল, রিভার্স কাউগার্ল, অ্যানাল, ওরাল। রাহুল শিল্পার বোদায় তার মাল ছেড়ে দিলো, গরম মাল ভরে গেল, কিন্তু তারা থামলো না। শিল্পা রাহুলের ধন চুষে আবার শক্ত করলো, আবার শুরু করলো। তারা পুকুরের জলে গেল, সাঁতার কাটতে কাটতে মিলিত হলো – জলে ভাসতে ভাসতে রাহুল শিল্পার বোদায় ঢোকালো, জোরে ঠাপ দিলো। শিল্পা জল ধরে আহ করে উঠলো। তারা পুকুরের ধারের জঙ্গলে গেল, গাছের নিচে চোদাচুদি করলো। পরের দিনগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো – একদিন পুকুরের পিছনে, অন্যদিন গ্রামের খেতে। শিল্পা রাহুলের ধনের উপর মধু মাখিয়ে চুষতো, রাহুল শিল্পার বোদায় ফল ঢোকাতো। শিল্পা রাহুলকে তার দুধের মাঝে ধন ঘষতে দিতো, রাহুল শিল্পার নিতম্বে মাল ছেড়ে দিতো। তাদের জলকেলি ছিল অসীম, প্রত্যেক মিলনে শিল্পার বোদা থেকে রস ফোয়ারার মতো বের হতো, রাহুলের ধন থেকে মাল ছিটকে পড়তো। কিন্তু শিল্পার বিয়ে হয়ে গেল, সে চলে গেল অন্য গ্রামে। রাহুল পুকুরে একা রইলো, কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই জলে। শিল্পা নতুন বাড়িতে নিজের বোদায় আঙুল ঢোকাতো, রাহুলের মোটা ধনের কথা ভেবে, তার দুধ চাপতে চাপতে মাল বের করে দিতো। এমনি করে তাদের গল্প গ্রামের পুকুরের মতো গভীর