Hi 🥵
গোয়ার একটা প্রাইভেট বিচ রিসোর্টে, যেখানে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ আর নারকেল গাছের ছায়া মিলে একটা রোমান্টিক কিন্তু উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে ছুটি কাটাতে এসেছিল অর্পিতা। অর্পিতা ছিল একটা মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ, বয়স ২৬। তার শরীরটা ছিল যেন একটা সেক্স বোম – বিশাল দুধ যা তার বিকিনির নিচে থেকে ফেটে বের হতে চাইতো, গভীর নাবিল যা তার বেলি চেইনের নিচে থেকে ঝলকাতো, আর সেই বোদা যা সমুদ্রের জলে ভিজে আরও গরম হয়ে উঠতো। অর্পিতার চুল ছিল ওয়েভি, চোখ দুটো কালো, আর তার ঠোঁট ছিল মোটা যেন ধন চোষার জন্য তৈরি। বিচে হাঁটতে হাঁটতে তার ঘামে ভিজে যাওয়া শরীর দেখলে পুরুষদের ধন শক্ত হয়ে যেত। অর্পিতা কেবিনে একা শুয়ে তার দুধ মর্দন করতো, বোঁটা টেনে আহ করে উঠতো, তারপর নাবিলে আঙুল ঘুরিয়ে, অবশেষে বোদায় চারটা আঙুল ঢোকাতো। সে কল্পনা করতো একটা লম্বা ধনের যা তার বোদা চিরে দিতো, আর তার মাল তার ভিতরে ফোয়ারা হয়ে ছেড়ে দিতো। তার বোদা থেকে রস গড়িয়ে পড়তো, কিন্তু তার খিদে মেটাতো না।
সায়ন ছিল রিসোর্টের ওয়াটার স্পোর্টস ইনস্ট্রাক্টর, বয়স ২৮। তার শরীরটা ছিল ফিট এবং ট্যানড – শক্ত পেশী, প্রশস্ত বুক, আর তার ধনটা ছিল ১১ ইঞ্চি লম্বা, মোটা যেন একটা কলা, শিরা ফুলে উঠা, আর ডগায় লালচে যেন রস বের হওয়ার অপেক্ষায়। সায়ন অর্পিতাকে দেখলো যখন সে জেট স্কি করছিল। অর্পিতার বিকিনি ভিজে গিয়ে তার দুধের বোঁটা ফুটে উঠেছিল। সায়ন কাছে এলো, "ম্যাম, সাহায্য লাগবে?" অর্পিতা হাসলো, তার দুধ দুলে উঠলো। "হ্যাঁ, আমাকে শেখাও কীভাবে রাইড করতে হয়।" সায়ন তার পিছনে বসলো, তার ধন অর্পিতার নিতম্বে ঘষা খেলো। অর্পিতা অনুভব করলো, তার বোদা ভিজে গেল।
সন্ধ্যায় অর্পিতা তার কেবিনে ফিরলো। সায়ন রুম সার্ভিসের বাহানায় এলো। "ম্যাম, ড্রিঙ্কস?" অর্পিতা দরজা খুলে বললো, "হ্যাঁ, কিন্তু তোমার সাথে।" কেবিনে ঢুকে সায়ন অর্পিতার কাছে এলো। অর্পিতা তার ঠোঁটে চুমু খেলো, জিভ ঢোকালো। সায়ন তার বিকিনি খুলে দিলো, অর্পিতার বিশাল দুধ দেখে মর্দন করতে লাগলো। "আহ সায়ন, জোরে চাপো আমার দুধ, বোঁটা চোষো যেন দুধ বের হয়।" সায়ন বোঁটা চুষতে লাগলো, কামড়াতে লাগলো। অর্পিতা কাঁপতে লাগলো, তার হাত সায়নের শর্টসে গেল, ধন ধরলো। "ওরে বাবা, এতো লম্বা ধন! আমার বোদা ফাটিয়ে দেবে।" সায়ন অর্পিতার নাবিল চুমু খেলো। "আহ, নাবিলে জিভ ঢোকা, চাটো গভীরে।" সায়ন জিভ ঘুরালো, তারপর নিচে নামলো, অর্পিতার বোদা দেখে – ভিজা, গোলাপি, লোমহীন – তার জিভ ঢোকালো। অর্পিতা চেঁচিয়ে উঠলো, "চাটো আমার বোদা, ক্লিট চোষো, আঙুল ঢোকা পাঁচটা!" সায়ন পাঁচটা আঙুল ঢোকালো, ঘুরাতে লাগলো, অর্পিতার রস ফোয়ারা হয়ে বের হলো।
অর্পিতা সায়নের শর্টস খুললো, ধন বের হলো – লম্বা, মোটা, প্রি-কাম বের হচ্ছে। অর্পিতা হাঁটু গেড়ে বসলো, ধনটা মুখে নিলো, চুষতে লাগলো গভীরে। "আহ অর্পিতা, চোষো জোরে, গলা পর্যন্ত নাও।" অর্পিতা তাই করলো, চোষার সাথে বলস চাটলো, হাত দিয়ে ঘষলো। সায়ন তার মাথা ধরে মুখে ঠাপ দিতে লাগলো। অর্পিতা গোঙাতে লাগলো, তার বোদা থেকে রস পড়তে লাগলো। তারা ৬৯ পজিশনে বিছানায় হলো – অর্পিতা উপরে, সায়নের ধন চুষছে, সায়ন অর্পিতার বোদা চাটছে। ঘন্টা চারেক ধরে তারা খেললো – অর্পিতার দুধ চোষা, নাবিল কামড়ানো, বোদায় জিভ আর আঙুল, সায়নের ধন চোষা, বলস ম্যাসাজ। অর্পিতা সায়নের ধনের উপর সমুদ্রের জল মাখিয়ে ঘষলো, সায়ন অর্পিতার নিতম্বে স্প্যাঙ্ক করলো। অর্পিতা তার দুধের মাঝে সায়নের ধন ঘষলো, টিট ফাক করলো। সায়ন অর্পিতার নিতম্বের গর্তে আঙুল ঢোকালো।
সায়ন অর্পিতাকে বিছানায় শুইয়ে দিলো। সে তার ধন অর্পিতার বোদায় ঘষলো, "রেডি?" অর্পিতা বললো, "হ্যাঁ, ঢোকাও তোমার লম্বা ধন, ফাটিয়ে দাও আমার বোদা, মাল দাও ভিতরে।" সায়ন জোরে ঢোকালো, অর্পিতা ব্যথায় চেঁচিয়ে উঠলো, কিন্তু বললো, "জোরে ঠাপ দাও, গভীরে যাও, আমার গর্ভে পৌঁছাও।" সায়ন জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, কেবিনে ঠাপের শব্দ আর অর্পিতার আহ আহ মিশে গেল। অর্পিতার দুধ দুলতে লাগলো, সায়ন তা চুষতে চুষতে ঠাপ দিলো। অর্পিতা তার পা জড়িয়ে ধরলো, "আরও জোরে, আমার বোদা চিরে দাও, রস দাও ভিতরে।" তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – অর্পিতা উপরে উঠলো, সায়নের ধনের উপর লাফাতে লাগলো যেন জেট স্কি রাইড। তার দুধ লাফাতে লাগলো, সায়ন তা ধরে মর্দন করলো, বোঁটা টেনে ধরলো। অর্পিতা তার নাবিলে সায়নের আঙুল ঢোকালো, "এখানেও খেলো, সব জায়গায় স্পর্শ করো।" তারা ডগি স্টাইলে হলো, সায়ন পিছন থেকে ঠাপ দিতে লাগলো, অর্পিতার নিতম্ব চাপড়াতে লাগলো যেন লাল হয়ে যায়। "চাপড়াও জোরে, আমাকে পানিশ করো," অর্পিতা বললো। সায়ন তার নিতম্ব লাল করে দিলো, তারপর তার ধন অর্পিতার নিতম্বের গর্তে ঘষলো, আস্তে ঢোকালো। অর্পিতা আহ করে উঠলো, "আহ, অ্যানাল করো, ফাটিয়ে দাও।"
ঘন্টা সাতেক ধরে তারা চোদাচুদি করলো, বিভিন্ন পজিশনে – মিশনারি, কাউগার্ল, রিভার্স কাউগার্ল, অ্যানাল, ওরাল। সায়ন অর্পিতার বোদায় তার মাল ছেড়ে দিলো, গরম মাল ভরে গেল, কিন্তু তারা থামলো না। অর্পিতা সায়নের ধন চুষে আবার শক্ত করলো, আবার শুরু করলো। তারা কেবিনের বাইরে বিচে গেল, সমুদ্রের ঢেউয়ের নিচে মিলিত হলো – জল পড়তে পড়তে সায়ন অর্পিতার বোদায় ঢোকালো, জোরে ঠাপ দিলো। অর্পিতা দেয়ালে ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আহ করে উঠলো। তারা রিসোর্টের পুলে গেল, রাতে লুকিয়ে চোদাচুদি করলো। পরের দিনগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো – একদিন জেট স্কিতে, অন্যদিন কেবিনের ব্যালকনিতে। অর্পিতা সায়নের ধনের উপর কোকোনাট অয়েল মাখিয়ে চুষতো, সায়ন অর্পিতার বোদায় ফল ঢোকাতো। অর্পিতা সায়নকে তার দুধের মাঝে ধন ঘষতে দিতো, সায়ন অর্পিতার নিতম্বে মাল ছেড়ে দিতো। তাদের জলকেলি ছিল অসীম, প্রত্যেক মিলনে অর্পিতার বোদা থেকে রস ফোয়ারার মতো বের হতো, সায়নের ধন থেকে মাল ছিটকে পড়তো। কিন্তু অর্পিতার ছুটি শেষ হলো, সে চলে গেল। সায়ন বিচে একা রইলো, কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই ঢেউয়ের মধ্যে। অর্পিতা বাড়িতে ফিরে নিজের বোদায় ভাইব্রেটর ঢোকাতো, সায়নের লম্বা ধনের কথা ভেবে, তার দুধ চাপতে চাপতে মাল বের করে দিতো। এমনি করে তাদের গল্প সমুদ্রের মতো অসীম হয়ে গেল।
No comments:
Post a Comment