দেখলেই মাল আউট 🥵

 গোয়ার একটা নির্জন সৈকতে, যেখানে সমুদ্রের ঢেউ আর নারকেল গাছের ছায়া মিলে একটা রোমান্টিক পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে এসেছিল সোনিয়া। সোনিয়া ছিল একটা মডেল, বয়স ২৫। তার শরীরটা ছিল সেক্সি – লম্বা পা, বড় স্তন, আর সেই বিকিনিতে তার ফিগার যা দেখলে যে কোনো পুরুষের রক্ত গরম হয়ে উঠত। সোনিয়া ছুটিতে এসেছিল, তার মনে ছিল অ্যাডভেঞ্চারের খোঁজ।

করণ ছিল সৈকতের একটা লাইফগার্ড, বয়স ২৭। তার শরীরটা ছিল অ্যাথলেটিক, সাঁতার কাটা পেশী, আর তার হাসি ছিল চার্মিং। করণ সোনিয়াকে দেখলো যখন সে সমুদ্রে সাঁতার কাটছিল। তার বিকিনি ভিজে গিয়ে শরীর দেখা যাচ্ছিল। করণ কাছে গেল, "ম্যাম, সাবধান, ঢেউ বড়।" সোনিয়া হাসলো, "ঠিক আছে, তুমি তো আছো।"

সন্ধ্যায় সোনিয়া সৈকতে হাঁটছিল। করণ তার সাথে যোগ দিলো। "নাম কী তোমার?" সোনিয়া জিজ্ঞাসা করলো। "করণ। তুমি?" "সোনিয়া। চলো, একসাথে ঘুরি।" তারা সমুদ্রের ধারে হাঁটলো, কথা বললো। রাত হলো, সৈকতে আগুন জ্বালালো। করণ একটা বিয়ার দিলো। নেশায় সোনিয়া বললো, "করণ, তুমি হট।" করণ তার কাছে এলো, সোনিয়ার ঠোঁট চুমু খেলো।

তারা একটা নারকেল গাছের নিচে গেল। করণ সোনিয়ার বিকিনি খুলে দিলো। সোনিয়ার নগ্ন শরীর দেখে করণের লিঙ্গ শক্ত হলো। সে সোনিয়ার স্তন মর্দন করলো, চুষলো। সোনিয়া মোয়ান করলো, "আহ করণ, আরও।" করণ তার শর্টস খুললো, সোনিয়ার যোনিতে তার লিঙ্গ ঘষলো। সোনিয়া তার হাত দিয়ে ধরলো, "ঢোকা।"

করণ ঢোকালো, জোরে ঠাপ দিতে লাগলো। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দে তাদের আওয়াজ মিশে গেল। সোনিয়া তার পা তুলে ধরলো, "ডিপার, ফাক মি ডিপার!" করণ তার নিতম্ব ধরে জোরে জোরে করতে লাগলো। তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – সোনিয়া ডগি স্টাইলে হলো, করণ পিছন থেকে ঢোকালো। সোনিয়া চেঁচালো, "ইয়েস, স্প্যাঙ্ক মি!" করণ তার নিতম্বে চাপড় মারলো।

ঘন্টা তিনেক ধরে তারা চোদাচুদি করলো। শেষে করণ সোনিয়ার পিঠে তার রস ছেড়ে দিলো। তারা দুজনে বালিতে শুয়ে রইলো, তারা দেখতে দেখতে। পরের দিনগুলোতে তারা সৈকতে লুকিয়ে মিলিত হতো। একদিন সমুদ্রে সাঁতার কাটতে কাটতে, অন্যদিন হোটেলের রুমে। সোনিয়া করণের লিঙ্গে তেল মাখিয়ে ম্যাসাজ করতো, করণ সোনিয়ার যোনিতে ফল ঢোকাতো। তাদের উন্মাদনা ছিল অসীম। কিন্তু ছুটি শেষ হলো, সোনিয়া চলে গেল। করণ সৈকতে একা রইলো, কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই ঢেউয়ের মধ্যে। সোনিয়া বাড়িতে ফিরে ভাইব্রেটর ব্যবহার করতো, করণের কথা ভেবে। এমনি করে তাদের গল্প অমর হয়ে রইলো।