হোটেলের রুমে নীলা ও অর্কের উন্মাদ রাত

মুম্বাইয়ের একটা লাক্সারি হোটেলে, যেখানে উঁচু বিল্ডিংয়ের জানালা দিয়ে শহরের আলো ঝলমল করে, আর রুম সার্ভিসের লোভনীয় গন্ধ মিলে একটা কামুক পরিবেশ তৈরি হয়, সেখানে এসেছিল নীলা। নীলা ছিল একটা ফ্যাশন ডিজাইনার, বয়স ২৫। তার শরীরটা ছিল যেন একটা পর্ন স্টারের মতো – বিশাল দুধ যা তার টাইট ড্রেসের নিচে থেকে ফেটে বের হতে চাইতো, গভীর নাবিল যা তার ক্রপ টপের নিচে থেকে ঝলকাতো, আর সেই বোদা যা তার মনে সবসময় ধনের জন্য কাঁপতো। নীলার চুল ছিল লালচে, চোখ দুটো নীল, আর তার ঠোঁট ছিল মোটা যেন চুমু খাওয়ার জন্য তৈরি। হোটেলে চেক-ইন করতে করতে সে তার দুধ স্পর্শ করলো, বোঁটা শক্ত হয়ে উঠলো। রাতে একা রুমে শুয়ে সে নিজের নাবিলে আঙুল ঘুরাতো, তারপর বোদায় দুটো আঙুল ঢোকাতো, কল্পনা করতো একটা মোটা ধনের যা তার বোদা ফাটিয়ে দিতো, আর তার রস তার ভিতরে ছেড়ে দিতো। তার বোদা থেকে রস গড়িয়ে পড়তো, কিন্তু সে সন্তুষ্ট হতো না।

অর্ক ছিল হোটেলের ম্যানেজার, বয়স ৩৩। তার শরীরটা ছিল অ্যাথলেটিক – শক্ত পেশী, প্রশস্ত বুক, আর তার ধনটা ছিল ১০ ইঞ্চি লম্বা, মোটা যেন একটা লোহার রড, শিরা ফুলে উঠা, আর ডগায় লালচে। অর্ক নীলাকে দেখলো যখন সে চেক-ইন করছিল। নীলার দুধ দেখে তার ধন প্যান্টের নিচে শক্ত হয়ে গেল। রাতে অর্ক রুম সার্ভিসের বাহানায় নীলার রুমে গেল। "ম্যাম, কোনো সমস্যা?" অর্ক বললো। নীলা দরজা খুলে হাসলো, তার ড্রেসটা ছোট, দুধের অর্ধেক দেখা যাচ্ছে। "হ্যাঁ, আমার একা লাগছে। ভিতরে আসো।"

রুমে ঢুকে অর্ক নীলার কাছে এলো। নীলা তার ঠোঁটে চুমু খেলো, জিভ ঢোকালো। অর্ক তার ড্রেস খুলে দিলো, নীলার ব্রা দেখে দুধ মর্দন করতে লাগলো। "আহ অর্ক, জোরে চাপো আমার বিশাল দুধ, বোঁটা টেনে ধরো।" অর্ক ব্রা খুলে দিলো, নীলার দুধ দেখে চুমু খেলো, বোঁটা চুষতে লাগলো যেন দুধ বের করবে। নীলা কাঁপতে লাগলো, তার হাত অর্কের প্যান্টে গেল, ধন ধরলো। "ওরে বাবা, এতো মোটা ধন! আমার বোদা ভরে দেবে।" অর্ক নীলার স্কার্ট খুলে দিলো, তার নাবিল দেখে চুমু খেলো। "আহ, নাবিলে জিভ ঢোকা, চাটো গভীরে।" অর্ক জিভ ঘুরালো নাবিলে, তারপর নিচে নামলো, নীলার প্যান্টি ভিজে গিয়েছে। সে প্যান্টি নামালো, নীলার বোদা দেখে – গোলাপি, ভিজা, টাইট গর্ত – তার জিভ ঢোকালো। নীলা চেঁচিয়ে উঠলো, "আহ, চাটো আমার বোদা, ক্লিট চোষো, আঙুল ঢোকা চারটা!" অর্ক চারটা আঙুল ঢোকালো, ঘুরাতে লাগলো, নীলার রস গড়িয়ে পড়লো।

নীলা অর্কের প্যান্ট খুললো, ধন বের হলো – মোটা, লম্বা, লাল ডগা থেকে প্রি-কাম বের হচ্ছে। নীলা হাঁটু গেড়ে বসলো, ধনটা মুখে নিলো, চুষতে লাগলো যেন আইসক্রিম। "আহ নীলা, গভীরে নাও আমার ধন, গলা পর্যন্ত।" নীলা তাই করলো, চোষার সাথে বলস চাটলো, হাত দিয়ে ঘষলো। অর্ক তার মাথা ধরে মুখে ঠাপ দিতে লাগলো। নীলা গোঙাতে লাগলো, তার বোদা থেকে রস পড়তে লাগলো। তারা ৬৯ পজিশনে বিছানায় হলো – নীলা উপরে, অর্কের ধন চুষছে, অর্ক নীলার বোদা আর নাবিল চাটছে। ঘন্টা দুয়েক ধরে তারা শরীরের সব অংশ অন্বেষণ করলো – নীলার দুধ মর্দন, বোঁটা কামড়ানো, নাবিলে আঙুল, বোদায় জিভ আর আঙুল, অর্কের ধন চোষা, বলস চাটা, নিতম্বে কামড়। নীলা অর্কের ধনের উপর লালা ফেলে ঘষলো, অর্ক নীলার বোদায় তেল ঢেলে ম্যাসাজ করলো। নীলা তার দুধের মাঝে অর্কের ধন ঘষলো, টিট ফাক করলো। অর্ক নীলার নিতম্বে তার ধন ঘষলো, কিন্তু ঢোকালো না।

অবশেষে অর্ক নীলাকে বিছানায় শুইয়ে দিলো। সে তার ধন নীলার বোদায় ঘষলো, "রেডি?" নীলা বললো, "হ্যাঁ, ঢোকাও তোমার মোটা ধন, ফাটিয়ে দাও আমার বোদা, ভিতরে রস ছেড়ে দাও।" অর্ক জোরে ঢোকালো, নীলা ব্যথায় চেঁচিয়ে উঠলো, কিন্তু বললো, "জোরে ঠাপ দাও, গভীরে যাও, আমার গর্ভে পৌঁছাও।" অর্ক জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, রুমে ঠাপের শব্দ আর নীলার আহ আহ মিশে গেল। নীলার দুধ দুলতে লাগলো, অর্ক তা চুষতে চুষতে ঠাপ দিলো। নীলা তার পা জড়িয়ে ধরলো, "আরও জোরে, আমার বোদা ফাটাও, রস দাও ভিতরে।" তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – নীলা উপরে উঠলো, অর্কের ধনের উপর লাফাতে লাগলো যেন রাইড করছে। তার দুধ লাফাতে লাগলো, অর্ক তা ধরে মর্দন করলো, বোঁটা টেনে ধরলো। নীলা তার নাবিলে অর্কের আঙুল ঢোকালো, "এখানেও খেলো, সব জায়গায় স্পর্শ করো।" তারা ডগি স্টাইলে হলো, অর্ক পিছন থেকে ঠাপ দিতে লাগলো, নীলার নিতম্ব চাপড়াতে লাগলো যেন লাল হয়ে যায়। "চাপড়াও জোরে, আমাকে পানিশ করো," নীলা বললো। অর্ক তার নিতম্ব লাল করে দিলো, তারপর তার ধন নীলার নিতম্বের গর্তে ঘষলো, কিন্তু ঢোকালো না।

ঘন্টা পাঁচেক ধরে তারা চোদাচুদি করলো, বিভিন্ন পজিশনে – মিশনারি, কাউগার্ল, রিভার্স কাউগার্ল, স্পুনিং, স্ট্যান্ডিং। অর্ক নীলার বোদায় তার রস ছেড়ে দিলো, গরম রস নীলার ভিতরে ভরে গেল, কিন্তু তারা থামলো না। নীলা অর্কের ধন চুষে আবার শক্ত করলো, আবার শুরু করলো। তারা হোটেলের বাথরুমে গেল, শাওয়ারের নিচে মিলিত হলো – জল পড়তে পড়তে অর্ক নীলার বোদায় ঢোকালো, জোরে ঠাপ দিলো। নীলা দেয়ালে ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আহ করে উঠলো। তারা ব্যালকনিতে গেল, শহরের আলো দেখতে দেখতে চোদাচুদি করলো। পরের রাতগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো – একদিন হোটেলের পুলে, অন্যদিন জিমে। নীলা অর্কের ধনের উপর চকলেট মাখিয়ে চুষতো, অর্ক নীলার বোদায় ক্রিম ঢেলে চাটতো। নীলা অর্ককে তার দুধের মাঝে ধন ঘষতে দিতো, অর্ক নীলার নিতম্বে আঙুল ঢোকাতো। তাদের উন্মাদনা ছিল অসীম, প্রত্যেক মিলনে নীলার বোদা থেকে রস ফোয়ারার মতো বের হতো, অর্কের ধন থেকে মাল ছিটকে পড়তো। কিন্তু নীলার ছুটি শেষ হলো, সে চলে গেল। অর্ক হোটেলে একা রইলো, কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই রুমে। নীলা বাড়িতে ফিরে নিজের বোদায় ভাইব্রেটর ঢোকাতো, অর্কের মোটা ধনের কথা ভেবে, তার দুধ চাপতে চাপতে মাল বের করে দিতো। এমনি করে তাদের গল্প হোটেলের দেয়ালে খোদাই হয়ে গেল।