কলকাতার একটা ব্যস্ত শহরে, উঁচু অ্যাপার্টমেন্টের ১০ তলায় থাকতো প্রিয়া। প্রিয়া ছিল একটা কর্পোরেট অফিসের মেয়ে, বয়স ২৮। তার শরীরটা ছিল আধুনিক – স্লিম ফিগার, ছোট চুল, আর সেই টাইট জিন্সে তার নিতম্বের আকার যা দেখলে পুরুষদের মন হারিয়ে যেত। প্রিয়া তার জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না, তার বয়ফ্রেন্ড ছিল না, কিন্তু তার মনে সেক্সের খিদে ছিল প্রচুর। সে রাতে পর্ন দেখতো, নিজেকে স্পর্শ করতো।
অমিত ছিল তার প্রতিবেশী, একই অ্যাপার্টমেন্টের ৯ তলায়। অমিতের বয়স ৩০, সে একটা আইটি কোম্পানিতে কাজ করতো। তার শরীরটা ছিল ফিট, জিম করা, আর তার চোখে ছিল একটা দুষ্টু হাসি। অমিত প্রিয়াকে লিফটে দেখতো, কথা বলতো। একদিন লিফটে তারা দুজনে একা হলো। "হাই প্রিয়া, আজ অফিস কেমন?" অমিত বললো। প্রিয়া হাসলো, "ভালো, কিন্তু ক্লান্ত। তুমি?"
কথা থেকে কথা বাড়লো। অমিত বললো, "আজ রাতে আমার ফ্ল্যাটে পার্টি, আসবে?" প্রিয়া রাজি হলো। রাতে প্রিয়া তার ফ্ল্যাটে গেল। সেখানে কেউ ছিল না, শুধু অমিত। "পার্টি কোথায়?" প্রিয়া অবাক হয়ে বললো। অমিত হাসলো, "আমাদের দুজনের পার্টি।" সে প্রিয়াকে একটা গ্লাস ওয়াইন দিলো। তারা পান করতে লাগলো, কথা বলতে লাগলো।
ওয়াইনের নেশায় প্রিয়ার মন খুলে গেল। সে বললো, "অমিত, আমি অনেকদিন ধরে একা।" অমিত তার কাছে এলো, তার হাত প্রিয়ার কাঁধে রাখলো। "আমিও। চলো, আজ একসাথে হই।" প্রিয়া তার ঠোঁটে চুমু খেলো। অমিত তার টপ খুলে দিলো। প্রিয়ার ব্রা দেখে অমিতের চোখ জ্বলে উঠলো। সে তা খুললো, প্রিয়ার স্তন চুষতে লাগলো। প্রিয়া আহ করে উঠলো, "আহ অমিত, জোরে চোষ।"
তারা বেডরুমে গেল। অমিত তার প্যান্ট খুললো, তার লিঙ্গটা বের করে প্রিয়ার মুখে দিলো। প্রিয়া তা চুষতে লাগলো, যেন আইসক্রিম। "ওহ প্রিয়া, তুমি দারুণ," অমিত বললো। তারপর অমিত প্রিয়াকে শুইয়ে দিলো। সে তার প্যান্টি খুললো, প্রিয়ার যোনিতে আঙুল ঢোকালো। প্রিয়া কাঁপলো, "ঢোকা তোমারটা।" অমিত তার লিঙ্গ ঢোকালো, জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো। প্রিয়া চেঁচালো, "ফাক মি হার্ড, অমিত!"
তারা পজিশন চেঞ্জ করলো। প্রিয়া উপরে উঠলো, অমিতের উপর লাফাতে লাগলো। অমিত তার নিতম্ব চাপড়ালো। "আহ, আরও," প্রিয়া বললো। তারা ঘন্টা দুয়েক ধরে চোদাচুদি করলো। শেষে অমিত প্রিয়ার মুখে তার রস ছেড়ে দিলো। তারা দুজনে ক্লান্ত হয়ে শুয়ে রইলো, অ্যাপার্টমেন্টের জানালা দিয়ে শহরের আলো দেখতে দেখতে।
পরের দিনগুলোতে তারা লুকিয়ে মিলিত হতো। একদিন অফিসের পর, অন্যদিন ছাদে। প্রিয়া অমিতকে ব্লোজব দিতো, অমিত প্রিয়ার গুদে জিভ দিতো। তাদের সম্পর্ক হয়ে উঠলো গভীর। কিন্তু একদিন প্রিয়ার অফিসে ট্রান্সফার হলো। সে চলে গেল অন্য শহরে। অমিত একা রইলো, কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই অ্যাপার্টমেন্টে। প্রিয়া রাতে ফোন সেক্স করতো, নিজেকে আঙুল দিয়ে সন্তুষ্ট করতো। এমনি করে তাদের গল্প চলতে থাকলো।
No comments:
Post a Comment