গ্রামের নদীর ধারে রিনা ও রাজুর মিলন

একটা ছোট্ট গ্রামে, যেখানে সবুজ ধানের খেত আর নদীর জলের শব্দ মিলে একটা শান্ত পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে থাকত রিনা। রিনা ছিল গ্রামের একটা সুন্দরী মেয়ে, তার বয়স মাত্র ২২ বছর। তার শরীরটা ছিল যেন প্রকৃতির নিজের হাতে গড়া – লম্বা কালো চুল, ফর্সা গায়ের রং, আর সেই বুকের উঁচু উঁচু পাহাড় যা দেখলে যে কোনো ছেলের মন চঞ্চল হয়ে উঠত। রিনা গ্রামের স্কুলে পড়াতো, কিন্তু তার মনে সবসময় একটা অস্থিরতা থাকত। সে চাইতো জীবনের স্বাদ নিতে, কিন্তু গ্রামের নিয়মকানুন তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতো।

একদিন বিকেলবেলা, রিনা নদীর ধারে গিয়েছিল জল আনতে। নদীটা ছিল গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া, চারপাশে ঘন জঙ্গল আর বাঁশঝাড়। সেখানে রাজু নামের একটা ছেলে কাজ করতো। রাজু ছিল শক্তপোক্ত, তার বয়স ২৫, গ্রামের কৃষকের ছেলে। তার গায়ে ছিল সূর্যের রোদে পোড়া রং, আর শরীরটা ছিল মজবুত পেশীতে ভরা। রাজু রিনাকে অনেকদিন ধরে চোখে চোখে দেখতো, কিন্তু কথা বলার সাহস পায়নি।

আজ নদীর ধারে রিনা যখন জল ভরছিল, তার শাড়িটা ভিজে গিয়ে শরীরের সাথে লেপ্টে গেল। রাজু দূর থেকে দেখছিল, তার চোখ দুটো রিনার বুকের দিকে আটকে গেল। রিনা লক্ষ্য করলো, কিন্তু সে হাসলো। "কী দেখছিস রাজু? জল নিয়ে যা না," বলে সে ডাকলো। রাজু লজ্জা পেয়ে কাছে এলো। "দিদি, তোমার শাড়ি ভিজে গেছে," বলে সে বললো। রিনা হাসলো, "তো কী হয়েছে? গরম তো, ভালো লাগছে। তুইও ভিজে নে।"

রাজু অবাক হয়ে গেল। সে কখনো ভাবেনি রিনা এমন কথা বলবে। তারা দুজনে নদীতে নামলো। জলের ঠান্ডা স্পর্শে রিনার শরীর কাঁপলো। রাজু তার হাত ধরলো, "সাবধান, পিছলে যাবে।" রিনা তার হাত ছাড়ালো না, বরং আরও কাছে এলো। "রাজু, তুই আমাকে পছন্দ করিস?" রিনা ফিসফিস করে বললো। রাজু লাল হয়ে গেল, কিন্তু সাহস করে বললো, "হ্যাঁ দিদি, অনেকদিন ধরে।"

তারপর কী হলো? তারা দুজনে জঙ্গলের দিকে গেল। সেখানে একটা বাঁশের ঝোড়ের পিছনে লুকিয়ে। রাজু রিনার শাড়ি খুলে দিলো। রিনার নগ্ন শরীর দেখে রাজুর চোখ চকচক করে উঠলো। সে রিনার ঠোঁটে চুমু খেলো, তার হাত রিনার বুকে ঘুরতে লাগলো। রিনা আহ করে উঠলো, "আস্তে রাজু, প্রথমবার।" রাজু তার শার্ট খুললো, তার প্যান্ট নামালো। তার লিঙ্গটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। রিনা তা দেখে হাত দিলো, "ওরে বাবা, এতো বড়!"

রাজু রিনাকে শুইয়ে দিলো ঘাসের উপর। সে তার মুখ রিনার যোনিতে রাখলো, চাটতে লাগলো। রিনা কাঁপতে লাগলো, তার শরীর গরম হয়ে উঠলো। "আহ রাজু, ভালো লাগছে," সে বললো। রাজু তার লিঙ্গটা রিনার যোনিতে ঢোকালো। প্রথমে ব্যথা হলো, কিন্তু পরে আনন্দ। তারা দুজনে মিলে মিলে চোদাচুদি করতে লাগলো। রাজু জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো, রিনা চেঁচিয়ে উঠলো, "আরও জোরে, ফাটিয়ে দে!" নদীর শব্দে তাদের আওয়াজ ঢেকে গেল। ঘন্টাখানেক ধরে তারা এমন করলো, শেষে দুজনেই ক্লান্ত হয়ে পড়লো। রাজু রিনার ভিতরে তার রস ছেড়ে দিলো। তারা দুজনে জড়িয়ে শুয়ে রইলো, নদীর ধারে সেই সন্ধ্যায়।

পরের দিনগুলোতে তারা লুকিয়ে লুকিয়ে মিলিত হতো। একদিন গ্রামের মেলায়, অন্যদিন ধানের খেতে। রিনা রাজুর লিঙ্গ চুষতে শিখলো, রাজু রিনার গুদ চাটতে পছন্দ করতো। তাদের মিলন ছিল যেন একটা আগুনের খেলা। কিন্তু একদিন গ্রামের লোকেরা জানতে পারলো। রিনার বাবা রাগ করে তাকে বাড়িতে বন্দি করলো। রাজু গ্রাম ছেড়ে চলে গেল। কিন্তু তাদের স্মৃতি রইলো নদীর ধারে, সেই বাঁশঝাড়ের পিছনে। রিনা রাতে একা শুয়ে সেই মিলনের কথা ভাবতো, তার হাত নিজের যোনিতে ঘুরতো। এমনি করে তাদের গল্প শেষ হলো না, বরং একটা নতুন শুরু হলো।