জঙ্গলের গভীরে, যেখানে চাঁদের আলো পাতা ভেদ করে মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে, সেখানে ক্যাম্প করে ছিল অর্জুন। বয়স ২৮, শরীরটা মজবুত, জিমে তৈরি মাসল, আর চোখে একটা শিকারীর দৃষ্টি। অর্জুন ছিল অ্যাডভেঞ্চার লাভার, শহরের কোলাহল ছেড়ে জঙ্গলে এসেছে একা। কিন্তু তার জীবন উলটে গেল যখন সে দেখল রিয়া-কে। রিয়া, ২৪ বছরের হট মেয়ে, লম্বা চুল, ফর্সা চামড়া, আর শরীরের কার্ভ যা যেকোনো ছেলেকে পাগল করে দিতে পারে। রিয়া তার বন্ধুদের সাথে ক্যাম্প করতে এসেছিল, কিন্তু রাতে ভুল করে জঙ্গলে হারিয়ে গিয়েছে।

প্রথম দেখা হল একটা ঝর্ণার কাছে। রিয়া জল খেতে এসেছিল, তার টি-শার্ট ভিজে গিয়ে তার বড় স্তনের আকার ফুটে উঠেছে, নিপলস হার্ড হয়ে দাঁড়িয়ে। অর্জুন সেখানে আগুন জ্বালাচ্ছিল। চোখাচোখি হতেই রিয়া বলল, "দাদা, আমি হারিয়ে গেছি... সাহায্য করো না?" তার কণ্ঠস্বর কাঁপছে, কিন্তু চোখে একটা উত্তেজনা। অর্জুন হাসল, "চলো, আমার ক্যাম্পে যাই। রাতটা কাটিয়ে নাও।" সে রিয়ার হাত ধরল, স্পর্শটা ছিল গরম, যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল দুজনের শরীরে।

ক্যাম্পে পৌঁছে অর্জুন তাঁবুতে আগুন জ্বালাল। রিয়া তার ভেজা কাপড় খুলতে লাগল, শুধু ব্রা আর প্যান্টি পরে বসল। তার স্তন ব্রা থেকে বেরিয়ে আসার মতো ফুলে উঠেছে। অর্জুনের চোখ সেখানে আটকে গেল। "তুমি খুব সেক্সি লাগছ," অর্জুন বলল, তার গলা ভারী হয়ে গেছে। রিয়া লজ্জায় হাসল, কিন্তু তার চোখে দুষ্টুমি। "তুমি কি আমাকে চুদতে চাও? আমি একা রাত কাটাতে ভয় পাই... তোমার সাথে থাকলে ভালো লাগবে।" তার কথায় অর্জুনের লিঙ্গ হার্ড হয়ে উঠল।

সে রিয়াকে কাছে টেনে নিল, ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরল। চুম্বনটা ছিল উগ্র, জিভ দিয়ে একে অপরের মুখ চাটতে লাগল। "আহহ... অর্জুন, তোমার ঠোঁটটা কত গরম," রিয়া গোঙাতে লাগল। অর্জুন তার ব্রা খুলে ফেলল, তার গোল স্তন বেরিয়ে এল - গোলাপী নিপলস হার্ড। সে একটা নিপল মুখে নিল, চুষতে লাগল জোরে জোরে, দাঁত দিয়ে কামড় দিল হালকা। রিয়া চেঁচিয়ে উঠল, "আহহহ... কামড়াও না... চোষো... আমার স্তনটা তোমার জন্য।" তার হাত অর্জুনের প্যান্টে ঢুকল, তার মোটা লিঙ্গ ধরল, মালিশ করতে লাগল। "তোমার বাঁড়াটা কত বড়... আমার গুদে ঢোকাবে?"

অর্জুন রিয়াকে মাটিতে শুইয়ে দিল, তার প্যান্টি খুলে ফেলল। রিয়ার যোনি ভিজে গিয়েছে, রস বেরিয়ে আসছে, চারপাশে ক্লিন শেভড। সে তার মুখ রাখল সেখানে, জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। "আহহহ... অর্জুন, তোমার জিভটা ম্যাজিক... চাটো আমার ক্লিটটা... জোরে!" রিয়া তার মাথা চেপে ধরল, তার শরীর কাঁপছে। অর্জুন তার আঙ্গুল ঢোকাল যোনিতে, ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চালাতে লাগল। রিয়া উন্মাদের মতো চেঁচাচ্ছে, "ফাক মি... তোমার বাঁড়া ঢোকাও... আমার গুদ ফাটিয়ে দাও!"

অর্জুন তার প্যান্ট খুলল, তার লিঙ্গ বের করল - লম্বা ৮ ইঞ্চি, মোটা, শিরা ফুলে উঠেছে। সে রিয়ার যোনির মুখে রাখল, এক ধাক্কায় অর্ধেক ঢোকাল। রিয়া ব্যথায় চিৎকার করল, "আহহহ... ধীরে... তোমারটা খুব বড়!" কিন্তু সে তার কোমর নাড়াতে লাগল। অর্জুন পুরোটা ঢোকাল, ধাক্কা শুরু করল - জোরে জোরে, প্রতিটি থ্রাস্টে তার বলস রিয়ার নিতম্বে লাগছে। "তোমার গুদটা কত টাইট... আমি তোমাকে চুদে চুদে শেষ করে দেব," অর্জুন গর্জন করল। রিয়া তার পা জড়িয়ে ধরল, "জোরে চোদো... আমার ভিতরে তোমার মাল ঢালো... আমাকে তোমার রেন্ডি বানাও!"

তাদের চোদাচুদি চলতে লাগল - প্রথমে মিশনারি, তারপর রিয়া উপরে উঠল, কাউগার্ল পজিশনে রাইড করতে লাগল। তার স্তন লাফাচ্ছে, অর্জুন চেপে ধরছে। "আহহ... তোমার বাঁড়া আমার জি-স্পটে লাগছে... আমি আসছি!" রিয়া স্কুয়ার্ট করল, তার রস অর্জুনের লিঙ্গে ছড়িয়ে পড়ল। অর্জুন তার গতি বাড়াল, "আমিও আসছি... তোমার গুদে মাল ঢালছি!" সে ফোয়ারার মতো তার বীর্য ঢেলে দিল ভিতরে। রিয়া কাঁপতে কাঁপতে তার উপর ঢলে পড়ল।

কিন্তু রাত শেষ হয়নি। কিছুক্ষণ পর রিয়া আবার উঠল, অর্জুনের লিঙ্গ মুখে নিল। "তোমার মালের স্বাদ নেব," বলে চুষতে লাগল, গভীর গলায় নিল। অর্জুন গোঙাতে লাগল, "সাক মাই ডিক... তুমি প্রো রেন্ডি!" রিয়া চুষে চুষে আবার হার্ড করল। এবার তারা ডগি স্টাইলে - অর্জুন পিছন থেকে ঢোকাল, তার নিতম্ব চাপড়াতে লাগল। "তোমার গাড়টা কত সেক্সি... চোদব তোমাকে সারা রাত!" রিয়া চেঁচাচ্ছে, "হ্যাঁ... স্প্যাঙ্ক মি... ফাক মি হার্ডার... আমার অ্যানালে ঢোকাও!"

অর্জুন তার লিঙ্গ বের করে রিয়ার অ্যানালে রাখল, ধীরে ঢোকাল। রিয়া ব্যথায় কাঁদল, "আহহহ... ধীরে... তোমারটা খুব মোটা!" কিন্তু উত্তেজনায় তার শরীর নাচছে। অর্জুন ধাক্কা দিতে লাগল, তার হাত রিয়ার ক্লিট মালিশ করছে। "তোমার অ্যাসটা টাইট... আমি তোমাকে ভরে দেব!" তারা দুজনে একসাথে অর্গাজম পেল, অর্জুন তার অ্যানালে মাল ঢেলে দিল।

সকাল হলে তারা জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এল, কিন্তু তাদের চোদাচুদির খেলা চলতে লাগল। শহরে ফিরে নতুন নতুন স্থানে - হোটেলে, গাড়িতে, এমনকি পাবলিক প্লেসে। রিয়া বলত, "তুমি আমার চোদন মাস্টার," আর অর্জুন বলত, "তুমি আমার সেক্স স্লেভ।" তাদের নতুন জীবন হয়ে উঠল উন্মাদ চোদাচুদির কাহিনী, যেখানে কোনো সীমা নেই।