ঢাকা শহরের একটা পুরনো অ্যাপার্টমেন্টে থাকতো রিয়া। বয়স ২৫, একটা ছোট কোম্পানিতে চাকরি করতো। তার জীবনটা ছিল সাধারণ – অফিস, বাড়ি, আর কয়েকটা বন্ধু। কিন্তু তার মনে একটা লুকানো অন্ধকার ছিল। রাতে একা থাকলে সে তার শরীরের সাথে খেলা করতো, কল্পনা করতো একটা অজানা পুরুষের স্পর্শ। তার প্রেমিক ছিল না, কিন্তু তার ইচ্ছা ছিল বন্য, নিয়ন্ত্রণহীন।
একদিন অফিস থেকে ফেরার পথে, রিয়া দেখলো একটা লম্বা, কালো চামড়ার লোককে। তার নাম ছিল রাহুল, একটা কনস্ট্রাকশন কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। সে রিয়ার বিল্ডিংয়ের পাশের সাইটে কাজ করতো। তাদের চোখাচোখি হল, আর রিয়া অনুভব করলো তার শরীরে একটা বিদ্যুতের ঝলক। রাহুল হাসলো, তার চোখে ছিল একটা শিকারির দৃষ্টি। সেই দিন থেকে শুরু হল তাদের গোপন সম্পর্ক।
অধ্যায় ২: প্রথম স্পর্শ
প্রথম রাতে রাহুল রিয়ার ফ্ল্যাটে এলো। দরজা বন্ধ করে, সে তাকে দেয়ালে চেপে ধরলো। "তুমি আমার," বলে সে তার ঠোঁটে চুমু খেলো। রিয়া কাঁপছিল, কিন্তু তার শরীর চাইছিল আরও। রাহুল তার কাপড় খুলে ফেললো, তার স্তনগুলো চেপে ধরলো। তার আঙ্গুলগুলো রিয়ার শরীরের প্রতিটা অংশ স্পর্শ করছিল। রিয়া তার শার্ট খুলে ফেললো, তার বুকে নখ দিয়ে আঁচড় কাটলো। রাহুল তাকে বিছানায় নিয়ে গেল, তার জিহ্বা দিয়ে তার স্তনের বোঁটা চাটতে শুরু করলো। রিয়া আহ করে উঠলো, তার হাত রাহুলের প্যান্টের ভিতর ঢুকে গেল। সে তার লিঙ্গ ধরে টেনে নিল, অনুভব করলো তার কঠিনতা।
রাহুল তাকে উল্টো করে শোয়ালো, তার পিঠে চুমু খেলো, তারপর তার নিতম্ব চেপে ধরলো। "তুমি আমার দাসী," বলে সে তার শরীরে প্রবেশ করলো। রিয়া ব্যথায় চিৎকার করলো, কিন্তু সেই ব্যথা মিলে গেল উত্তেজনায়। দু'জনে একসঙ্গে কাঁপতে কাঁপতে চরমে পৌঁছে গেল। রাতটা যেন অন্ধকারের মধ্যে হারিয়ে গেল।
অধ্যায় ৩: লুকানো খেলা
দিন যত যাচ্ছিল, তাদের সম্পর্ক তত গভীর হচ্ছিল। রাহুল রিয়াকে নতুন নতুন খেলা শেখাতো। একদিন সে তার চোখ বেঁধে দিল, তার হাত বেঁধে রাখলো। "আজ তুমি আমার নিয়ন্ত্রণে," বলে সে তার শরীরে বরফের টুকরো ঘষতে শুরু করলো। রিয়া কাঁপছিল, তার শরীর গরম হয়ে উঠছিল। রাহুল তার জিহ্বা দিয়ে তার গোপন অংশ চাটতে শুরু করলো, তার আঙ্গুল ঢোকাতে শুরু করলো। রিয়া চিৎকার করছিল, "আরও দাও!" রাহুল তাকে ছেড়ে দিল না, সে তার লিঙ্গ তার মুখে ঢুকিয়ে দিল। রিয়া চুষতে শুরু করলো, তার জিহ্বা দিয়ে খেলা করলো।
তারপর রাহুল তাকে উল্টো করে নিল, তার নিতম্বে প্রবেশ করলো। এটা ছিল নতুন, ব্যথা মিশ্রিত আনন্দ। রিয়া তার নখ দিয়ে বিছানা আঁচড়াচ্ছিল, তার শরীর কাঁপছিল। দু'জনে একসঙ্গে চরমে পৌঁছে গেল, ঘামে ভিজে গেল। কিন্তু রাহুলের মনে একটা অন্ধকার ছিল – সে চাইছিল আরও বেশি, আরও নিয়ন্ত্রণ।
অধ্যায় ৪: অন্ধকারের গভীরে
একদিন রাহুল রিয়াকে একটা পুরনো গুদামে নিয়ে গেল। সেখানে ছিল অন্ধকার, ধুলো। "আজ আমরা খেলবো সত্যিকারের খেলা," বলে সে তার হাত পিছনে বেঁধে দিল। রিয়া ভয় পাচ্ছিল, কিন্তু তার উত্তেজনা বেড়ে গেল। রাহুল তার কাপড় ছিঁড়ে ফেললো, তার শরীরে চাবুকের মতো কিছু দিয়ে আঘাত করলো। ব্যথা, কিন্তু রিয়া চাইছিল আরও। সে তার স্তন চেপে ধরলো, তার বোঁটা কামড়ালো। রিয়া চিৎকার করলো, "হ্যাঁ, আরও!"
রাহুল তাকে মেঝেয় শোয়ালো, তার শরীরে প্রবেশ করলো বন্যভাবে। তার হাত তার গলায় চেপে ধরলো, শ্বাসরোধ করার মতো। রিয়া অনুভব করলো একটা নতুন উত্তেজনা – ভয় মিশ্রিত আনন্দ। দু'জনে কাঁপতে কাঁপতে চরমে পৌঁছে গেল। কিন্তু সেই রাতে রিয়া বুঝলো, এটা শুধু শুরু। রাহুলের অন্ধকার তার মনেও ছড়িয়ে পড়ছে।
অধ্যায় ৫: শেষের শুরু
সম্পর্কটা যত গভীর হচ্ছিল, ততই বিপজ্জনক। রাহুল রিয়াকে তার বন্ধুর সাথে শেয়ার করতে চাইলো। "আজ তুমি আমাদের দু'জনের," বলে সে তার বন্ধুকে নিয়ে এলো। রিয়া প্রতিরোধ করলো, কিন্তু তার শরীর বিশ্বাসঘাতকতা করলো। দু'জনে তার শরীর নিয়ে খেলা করলো – একজন তার মুখে, অন্যজন তার শরীরে। রিয়া চিৎকার করছিল আনন্দে, তার শরীর কাঁপছিল। কিন্তু পরে সে অনুভব করলো অপরাধবোধ।
অবশেষে, একদিন রিয়া সিদ্ধান্ত নিল। "এটা থামাতে হবে," বলে সে রাহুলকে বললো। কিন্তু রাহুল রাগ করলো, তাকে চেপে ধরলো। "তুমি আমার থেকে যাবে না!" সে তার গলায় চেপে ধরলো, তার শরীরে জোর করে প্রবেশ করলো। রিয়া লড়াই করলো, কিন্তু তার শরীর এখনও সাড়া দিচ্ছিল। চরমে পৌঁছে গেলে, সে রাহুলকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। "শেষ!"
রিয়া তার জীবন ফিরে পেল, কিন্তু সেই অন্ধকারের ছায়া তার মনে রয়ে গেল। কখনও কখনও রাতে সে কল্পনা করতো সেই স্পর্শ, সেই উত্তেজনা। জীবনটা চলতে থাকলো, কিন্তু সেই গল্পটা কখনও শেষ হল না।
No comments:
Post a Comment