কলকাতার ব্যস্ত রাস্তায়, যেখানে ট্রামের শব্দ আর মানুষের কোলাহল মিলে এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ সৃষ্টি করে, সেখানে বাস করত অর্ণব। বয়স ২৯, শরীরটা ফিট, অফিসের কাজে ব্যস্ত, কিন্তু তার মনে ছিল একটা অস্থিরতা। অর্ণবের জীবন ছিল সাধারণ - অফিস, বাড়ি, আর কয়েকটা ক্যাজুয়াল ডেট। কিন্তু সবকিছু বদলে গেল যখন সে পলিয়ামরির জগতে পা রাখল। পলিয়ামরি - যেখানে একাধিক প্রেমিকের সাথে সম্পর্ক, সবাই সহমত, কোনো ঈর্ষা নেই, শুধু ভালোবাসা আর লাস্টের মিলন। অর্ণবের সাথে যুক্ত হল দুই মেয়ে: প্রিয়া আর সোনালি। এটা তাদের তিনজনের গল্প - উত্তপ্ত রোম্যান্স, শারীরিক মিলন, আর পলিয়ামরির চ্যালেঞ্জ।
প্রথমে এল প্রিয়া। প্রিয়া, ২৬ বছরের হট মেয়ে, লম্বা কালো চুল, ফর্সা চামড়া, আর শরীরের কার্ভ যা যেকোনো ছেলেকে উন্মাদ করে। সে ছিল অর্ণবের অফিস কলিগ, গ্রাফিক ডিজাইনার। তাদের প্রথম দেখা হল অফিস পার্টিতে। প্রিয়া তার টাইট ড্রেসে নাচছিল, তার স্তন লাফাচ্ছে, নিতম্ব নাড়াচ্ছে। অর্ণবের চোখ আটকে গেল। "হাই, তুমি খুব সেক্সি লাগছ," অর্ণব বলল, তার গলা ভারী। প্রিয়া হাসল, "তুমিও বেশ হ্যান্ডসাম। চলো, একটু প্রাইভেটে কথা বলি।"
সেই রাতে তারা অর্ণবের ফ্ল্যাটে গেল। প্রিয়া তাকে জড়িয়ে ধরল, ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরল। চুম্বনটা ছিল উগ্র, জিভ দিয়ে একে অপরের মুখ অন্বেষণ। "আহহ... অর্ণব, তোমার ঠোঁটটা কত গরম," প্রিয়া গোঙাল। অর্ণব তার ড্রেস খুলে ফেলল, প্রিয়ার নগ্ন শরীর বেরিয়ে এল - গোল স্তন, গোলাপী নিপলস, আর নিচে তার যোনি ভিজে গিয়েছে। সে প্রিয়ার স্তন চুষতে লাগল, জিভ দিয়ে চক্কর কাটল। প্রিয়া চেঁচিয়ে উঠল, "চোষো... কামড়াও... আমার স্তন তোমার!" তার হাত অর্ণবের প্যান্টে ঢুকল, তার মোটা লিঙ্গ ধরল, মালিশ করল। "তোমার বাঁড়াটা কত বড়... চোদো আমাকে!"
অর্ণব প্রিয়াকে বিছানায় শুইয়ে দিল, তার পা ফাঁক করল। তার জিভ প্রিয়ার যোনিতে রাখল, চাটতে লাগল। "আহহহ... তোমার জিভ ম্যাজিক... চাটো আমার ক্লিট!" প্রিয়া তার মাথা চেপে ধরল। অর্ণব তার লিঙ্গ ঢোকাল, ধাক্কা শুরু করল - জোরে জোরে। "তোমার গুদটা টাইট... আমি তোমাকে চুদে শেষ করব!" প্রিয়া চেঁচাচ্ছে, "জোরে চোদো... ভিতরে মাল ঢালো!" তারা দুজনে অর্গাজম পেল, অর্ণব তার বীর্য প্রিয়ার যোনিতে ঢেলে দিল। কিন্তু প্রিয়া বলল, "আমি পলিয়ামরি বিশ্বাস করি। আমরা একাধিক প্রেমিক রাখতে পারি, সবাই সহমত হলে।"
এরপর এল সোনালি। সোনালি, ২৫ বছরের সেক্সি মেয়ে, শর্ট হেয়ার, ট্যাটু করা শরীর, আর একটা পাঙ্ক লুক। সে ছিল অর্ণবের জিম পার্টনার। প্রিয়ার সাথে কথা বলে অর্ণব সোনালিকে প্রপোজ করল পলিয়ামরির জন্য। সোনালি রাজি হল, "আমি তোমাদের সাথে জয়েন করব। চলো, তিনজনে মিলে ফান করি।" প্রথম মিলন হল অর্ণবের ফ্ল্যাটে। তিনজনে একসাথে। প্রিয়া আর সোনালি একে অপরকে চুমু খেল, তাদের স্তন ঘষতে লাগল। অর্ণব দেখতে লাগল, তার লিঙ্গ হার্ড হয়ে উঠল। "আহহ... প্রিয়া, তোমার স্তনটা চোষো," সোনালি গোঙাল। প্রিয়া সোনালির নিপল চুষল, তার হাত সোনালির যোনিতে আঙ্গুল ঢোকাল।
অর্ণব জয়েন করল। সে প্রিয়াকে ডগি স্টাইলে চুদতে লাগল, পিছন থেকে ধাক্কা দিচ্ছে, তার হাত প্রিয়ার নিতম্ব চাপড়াচ্ছে। "জোরে চোদো... আমার গুদ ফাটিয়ে দাও!" প্রিয়া চেঁচাচ্ছে। সোনালি অর্ণবের সামনে শুয়ে, তার যোনি অর্ণবের মুখে রাখল। অর্ণব চাটতে লাগল, "তোমার গুদের রস কত মিষ্টি!" সোনালি তার স্তন নিজে চেপে ধরছে, "চাটো... আমাকে অর্গাজম দাও!" তিনজনের মিলন উন্মাদ - অর্ণব প্রিয়ার যোনিতে মাল ঢালল, তারপর সোনালিকে রাইড করতে দিল। সোনালি উপরে উঠল, তার কোমর নাড়াচ্ছে, "তোমার বাঁড়া আমার ভিতরে... আহহহ!" প্রিয়া সোনালির স্তন চুষছে, তাদের জিভ মিলছে।
পলিয়ামরির ডায়নামিক্স শুরু হল। তিনজনে নিয়ম বানাল - সবাই সহমত, কোনো ঈর্ষা নয়, সবার সাথে সমান সময়। কিন্তু চ্যালেঞ্জ এল। একদিন অর্ণব আর সোনালি একা মিলল। সোনালি তাকে ব্লোজব দিল, তার লিঙ্গ মুখে নিল, গভীর গলায় চুষল। "সাক মাই ডিক... তুমি প্রো!" অর্ণব গর্জন করল। সোনালি তার মুখে মাল নিল, গিলে ফেলল। প্রিয়া জেনে গেল, কিন্তু ঈর্ষার বদলে বলল, "আমিও জয়েন করব। চলো, গ্রুপ সেক্স করি।" তাদের মিলন আরও উত্তপ্ত হল - অর্ণব সোনালিকে অ্যানালে ঢোকাল, প্রিয়া তার যোনিতে ভাইব্রেটর ব্যবহার করল। "আহহহ... তোমার অ্যাস টাইট... চোদো আমাকে!" সোনালি চেঁচাচ্ছে। প্রিয়া অর্ণবের লিঙ্গ চুষছে, "আমাদের দুজনকে চুদো... আমরা তোমার!"
আরেকদিন তিনজনে পার্কে গেল, গোপনে। প্রিয়া আর সোনালি অর্ণবের লিঙ্গ ধরল, হ্যান্ডজব দিল। "জোরে মালিশ করো... আমি আসছি!" অর্ণব গোঙাল। তারা বাড়ি ফিরে অর্গি করল - প্রিয়া সোনালির যোনি চাটল, অর্ণব পিছন থেকে প্রিয়াকে চুদল। "আমরা তিনজনে এক... পলিয়ামরি আমাদের জীবন!" তারা চেঁচিয়ে উঠল। অর্গাজমের পর তারা জড়িয়ে শুয়ে রইল, ঘামে ভিজে।
কিন্তু পলিয়ামরির চ্যালেঞ্জ ছিল ঈর্ষা আর সমাজ। অর্ণবের ফ্যামিলি জানতে চাইল, কিন্তু তারা লুকিয়ে রাখল। একদিন ঈর্ষা এল - সোনালি অর্ণবের সাথে বেশি সময় কাটাতে চাইল। কিন্তু তারা কথা বলে সলভ করল, "আমরা সবাই সমান। চলো, আরও একটা নাইট করি।" সেই রাতে তারা নতুন খেলা খেলল - বন্ডেজ, প্রিয়াকে বেঁধে অর্ণব আর সোনালি তার শরীর অন্বেষণ করল। প্রিয়া চেঁচাচ্ছে, "ফাক মি... তোমরা দুজনে আমাকে চুদো!" অর্ণব তার যোনিতে ঢোকাল, সোনালি তার মুখে স্ট্র্যাপ-অন দিল। তিনজনের অর্গাজম ছিল বিস্ফোরক, রস ছড়িয়ে পড়ল।
শেষে, পলিয়ামরি তাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করল। তারা তিনজনে একসাথে থাকল, উত্তপ্ত রোম্যান্সে ভরা। অর্ণব বলল, "তোমরা আমার দুই প্রেমিকা... আমরা চিরকাল এমনই থাকব।" প্রিয়া আর সোনালি হাসল, "হ্যাঁ, আমাদের পলিয়ামরির আগুন কখনো নিভবে না।" তাদের গল্প চলতে লাগল - নতুন নতুন মিলন, ভালোবাসা, আর অন্তহীন লাস্টে।
No comments:
Post a Comment