একটা দূরবর্তী পাহাড়ী এলাকায়,

 যেখানে ঘন জঙ্গল আর ঝর্ণার জলের শব্দ মিলে একটা রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে থাকতো মায়া। মায়া ছিল একটা ট্রেকিং গাইড, তার বয়স ২৪ বছর। তার শরীরটা ছিল যেন পাহাড়ের মতো উঁচু-নিচু – বড় বড় দুধ যা টি-শার্টের নিচে থেকে উঁকি মারতো, সরু কোমর, আর সেই নিতম্ব যা হাঁটলে দুলে উঠতো। তার নাবিলটা ছিল গভীর, যেন একটা ছোট্ট গর্ত যা দেখলে মন চাইতো আঙুল দিয়ে স্পর্শ করতে। মায়া জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতো, কিন্তু তার মনে সেক্সের আগুন জ্বলতো। সে রাতে একা শুয়ে নিজের দুধ মর্দন করতো, বোদায় আঙুল ঢোকাতো, কল্পনা করতো কোনো পুরুষের ধনের কথা।

বিজয় ছিল একটা টুরিস্ট, যে পাহাড়ে এসেছিল অ্যাডভেঞ্চারের জন্য। তার বয়স ২৮, শরীরটা ছিল শক্তিশালী – প্রশস্ত বুক, মজবুত হাত, আর তার ধনটা ছিল লম্বা আর মোটা, যা প্যান্টের নিচে থেকে ফুলে উঠতো। বিজয় মায়াকে দেখলো যখন সে ট্রেকিং শুরু করলো। মায়ার টাইট প্যান্টে তার নিতম্ব দেখে বিজয়ের ধন শক্ত হয়ে গেল। "মায়া, এই পাহাড়টা কতো উঁচু?" বিজয় জিজ্ঞাসা করলো। মায়া হাসলো, "যতো উঁচু, ততো মজা। তুমি সামলাতে পারবে?"

ট্রেকিং চলতে চলতে তারা জঙ্গলের গভীরে চলে গেল। একটা ঝর্ণার কাছে বিশ্রাম নিলো। মায়া তার টি-শার্ট ভিজিয়ে নিলো ঝর্ণার জলে, তার দুধের বোঁটা ফুটে উঠলো। বিজয় দেখে লাল হয়ে গেল। "কী দেখছো?" মায়া দুষ্টু হেসে বললো। বিজয় সাহস করে বললো, "তোমার শরীরটা সুন্দর।" মায়া তার কাছে এলো, "তাহলে স্পর্শ করো না।" বিজয় তার হাত মায়ার দুধে রাখলো, মর্দন করতে লাগলো। মায়া আহ করে উঠলো, "আহ বিজয়, জোরে চাপো।" বিজয় তার টি-শার্ট খুলে দিলো, মায়ার বড় বড় দুধ দেখে চুমু খেলো। সে মায়ার বোঁটা চুষতে লাগলো, কামড়াতে লাগলো। মায়া কাঁপতে লাগলো, তার বোদা ভিজে গেল।

তারা জঙ্গলের একটা গোপন জায়গায় গেল, যেখানে পাতা আর ঘাসের বিছানা। বিজয় মায়ার প্যান্ট খুলে দিলো। মায়ার বোদা দেখে বিজয়ের চোখ চকচক করলো – সেটা ছিল গোলাপি, ভিজা, আর চারপাশে ছোট ছোট লোম। বিজয় তার জিভ দিয়ে চাটতে লাগলো, মায়ার ক্লিটোরিস চুষলো। মায়া চেঁচিয়ে উঠলো, "আহ, গভীরে জিভ ঢোকা!" বিজয় তার আঙুল ঢোকালো, ঘুরাতে লাগলো। মায়া তার নাবিলে চুমু খেলো বিজয়কে, "এখানেও চাটো।" বিজয় মায়ার নাবিল চাটলো, তার জিভ ঘুরালো।

মায়া বিজয়ের প্যান্ট খুললো। বিজয়ের ধন বের হলো – লম্বা ৮ ইঞ্চি, মোটা, আর শিরা ফুলে উঠা। মায়া তা হাতে নিলো, ঘষতে লাগলো। "ওরে বাবা, এতো বড় ধন!" সে বললো। মায়া তার মুখে নিলো, চুষতে লাগলো। বিজয়ের ধনের ডগা চুষলো, তার বলস চাটলো। বিজয় আহ করে উঠলো, "মায়া, তুমি দারুণ চোষো।" তারা ৬৯ পজিশনে হলো – মায়া উপরে, বিজয়ের ধন চুষছে, বিজয় মায়ার বোদা চাটছে। তারা ঘন্টাখানেক এমন করলো, একে অপরের শরীরের প্রত্যেক অংশ স্পর্শ করলো – দুধ, নাবিল, বোদা, ধন, বলস, নিতম্ব।

অবশেষে বিজয় মায়াকে শুইয়ে দিলো। সে তার ধন মায়ার বোদায় ঢোকালো। প্রথমে আস্তে, পরে জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো। মায়া তার পা তুলে ধরলো, "আরও গভীরে, ফাটিয়ে দাও আমার বোদা!" বিজয় তার দুধ চাপতে চাপতে ঠাপ দিতে লাগলো। তারা পজিশন চেঞ্জ করলো – মায়া উপরে উঠলো, বিজয়ের ধনের উপর লাফাতে লাগলো। তার দুধ দুলতে লাগলো, বিজয় তা ধরে মর্দন করলো। মায়া তার নাবিলে বিজয়ের আঙুল ঢোকালো, "এখানেও খেলো।" তারা ডগি স্টাইলে হলো, বিজয় পিছন থেকে ঠাপ দিতে লাগলো, মায়ার নিতম্ব চাপড়াতে লাগলো। "আহ, জোরে চাপড়াও!" মায়া বললো।

ঘন্টা দুয়েক ধরে তারা চোদাচুদি করলো। বিজয় মায়ার বোদায় তার রস ছেড়ে দিলো, কিন্তু তারা থামলো না। মায়া বিজয়ের ধন আবার চুষে শক্ত করলো, আবার শুরু করলো। তারা জঙ্গলের বিভিন্ন জায়গায় মিলিত হলো – ঝর্ণার নিচে, গাছের গোড়ায়। পরের দিনগুলোতে তারা লুকিয়ে লুকিয়ে মিলিত হতো। একদিন পাহাড়ের চূড়ায়, অন্যদিন গুহায়। মায়া বিজয়ের ধনের উপর তেল মাখিয়ে ম্যাসাজ করতো, বিজয় মায়ার দুধে মধু ঢেলে চাটতো। তাদের মিলন ছিল যেন একটা অ্যাডভেঞ্চার। কিন্তু বিজয়ের ছুটি শেষ হলো, সে চলে গেল। মায়া জঙ্গলে একা রইলো, কিন্তু স্মৃতি রইলো সেই ঝর্ণার জলে। রাতে মায়া নিজের বোদায় আঙুল ঢোকাতো, বিজয়ের ধনের কথা ভেবে। এমনি করে তাদের গল্প চিরকালের হয়ে গেল।